
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু সুরন্জন দাশ বলেন,শ্যামাপূজা উপলক্ষে আজ স্কুল সরকারি বন্ধ ছিল,স্কুল বন্ধ থাকায় আমি বাড়িতে অবস্থান করছিলাম,রাত ৭.৩০ মিনিটের সময় আমার কাছে একটি ফোন কল আসে এবং জানতে পারি স্কুলে কে বা কারা জানি আগুন দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, রাতের অন্ধকারে কে বা কারা আগুন দিয়েছে জানি না। তবে, আগুন দেয়া টা যে পরিকল্পিতভাবে তা বুঝা যাচ্ছে।আমরা উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষা অফিস এবং চর জব্বর থানাকে বিষয়টা মৌখিকভাবে জানালাম।
বিদ্যালয়ের নাইটগার্ড আরিফুর রহমান সোহেল বলেন,সন্ধা ৭টার সময় বিদ্যুত না থাকায় আমি স্কুলের শহীদ মিনার এর পাশে বসেছিলাম, ১৫/২০মিনিট পর বিদ্যুত আসলে আমি স্কুলের বারান্দায় আসি,এসময় আমি স্কুলের শিক্ষক মিলনায়তন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখি,পরে রুমের দরজা খুলে দেখি আলমারিতে আগুন জ্বলতেছে।পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনি।দু্র্বৃত্তরা জানালার কাঁচ ভেঙ্গে বাহির থেকে ভিতরে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা কবির আহম্মেদ বলেন,বিষয়টি আমি শুনেছি এবং এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে তদন্ত করে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। একই সঙ্গে প্রধান শিক্ষককে থানায় সাধারণ ডায়েরি করার নির্দেশ দেন।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মিয়া বলেন,দুর্বৃত্ত কর্তৃক বিদ্যালয়ে আগুন দেয়ার ঘটনাটি শুনে তৎক্ষনাত থানা থেকে পুলিশ প্রেরণ করা হয়েছে, তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আল আমিন সরকার বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিষয়টি আমাকে মুঠোফোনে জানিয়েছেন। আমি তাকে থানায় লিখিত অভিযোগ করতে বলেছি। আর ওসিকে বলেছি অভিযোগটি মামলা হিসেবে আমলে নিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নিতে।