উপজেলা প্রতিনিধি, কবিরহাট ; কবিরহাট থানা পুলিশ কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করিয়া ০১ জন আসামী গ্রেফতার সহ ১৩ (তের) বান্ডেল জাল ডলার এবং ০১ (এক) হাজার টাকার ২৫০ (দুইশত পঞ্চাশ) টি জাল নোট উদ্ধার করা হয় বাদী মো. ইসমাইল হোসেন রুবেল (৩৫), পিতা- মো. ইছহাক বাচ্চু, মাতা পারুল আক্তার, সাং-ইয়াকুবপুর (মনকাজী বেপারী বাড়ী), ০৯নং ওয়ার্ড, ০৫নং ইয়াকুবপুর ইউপি, থানা- দাগনভূইঁয়া, জেলা- ফেনী জানান যে, আসামী মোহাম্মদ আতিক উল্যাহ (৫০), পিতা- আ. রব, মাতা- ছকিনা খাতুন, সাং- নবগ্রাম (সাংবাদিক আতিকের বাড়ী), ০৮নং ওয়ার্ড, ০৩নং ধানসিঁড়ি
ইউপি, থানা- কবিরহাট, জেলা- নোয়াখালী এর সাথে তাহার বাবার র্দীঘ ০৬ বছর যাবৎ পরিচয় রয়েছে। আসামী আতিক উল্যাহ গুপ্তধন পেয়েছে মর্মে তাহার বাবাকে জানায়। গুপ্তধন পেয়ে বিদেশে বিক্রয় করে কয়েক লক্ষ ইএস ডলার তার কাছে আছে। এই রকম ভাবে ডলার দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বাদীর বাবার নিকট হতে বিগত ০৪ বছরে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে অনুমান ৩৫,০০,০০০/- (পয়ত্রিশ লক্ষ) টাকা নিয়ে যায়। বাদী ও তাহার বাবা একাধিকবার টাকা ফেরৎ পাওয়ার জন্য আসামী আতিক উল্যার বাড়ীতে যাই। সেখানে প্রায় সময় আসামী কবির উদ্দিন (৫১), পিতা- মৃত গোলাম মোস্তফা, মাতা- মৃত ছলেমা খাতুন, সাং- ভাটিরটেক (কবির মেম্বার বাড়ী), ০৪নং ওয়ার্ড, ০৭নং ধর্মপুর ইউপি, থানা- সুধারাম (সদর), জেলা-
নোয়াখালীকে দেখা যেত। আসামীর আতিক উল্যার কার্যকলাপ সন্দেহ হলে অনুমান ২০/২৫ দিন পূর্বে বর্নিত ঘটনার বিষয়ে মাইজদী সদর উপজেলা পরিষদের ভিতর অবস্থানরত আর্মি ক্যাম্পে গিয়ে অবহিত করে। আসামী আতিক উল্যাহ (৫০), গত ২৩/১২/২০২৪খ্রিঃ তারিখ বেলা অনুমান ০১.৫১ এবং ০২.০০ ঘটিকার সময় তাহার ব্যবহৃত মোবাইল: ০১৮৪০-৮৫৬৮৪৭ হতে বাদীর ব্যবহৃত মোবাইল: ০১৮২৭-৭৮৬২৮৬ নম্বরে ফোন করে জানান যে, তার কাছে ইউএস ডলার রেডি আছে, ৭০,০০০/- (সত্তর হাজার) টাকা লাগবে, টাকা সাথে করে নিয়ে আসিয়া পূর্বের পাওনা টাকা সহ ডলারগুলো নিয়ে যান। তার ফোনের কথার উপর ভিত্তি করে বাদী ও তাহার বাবা ঘটনার দিন ২৩/১২/২০২৪খ্রি. তারিখ রাত অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় ঘটনাস্থল কবিরহাট থানাধীন ধানসিড়িঁ ইউনিয়নের নলুয়া সাকিনে আসামী আতিক উল্যার
বসত ঘরে যায়। সেখানে আতিক উল্যা তাহার ঘরে বসতে দিয়ে বাদীর সাথে থাকা নগদ ৭০,০০০/- (সত্তর হাজার) টাকা নিয়ে নেয় এবং তাহাদেরকে কিছু ইউএস ডলারের বান্ডেল দেখায়। তার মধ্যে ০২টি বান্ডেল বাদীর হাতে দিলে ডলারগুলো দেখে বুঝতে পারে ডলারগুলো জাল। তখন বাদী আতিক উল্যার ঘর হতে বের হয়ে গোপনে রাত অনুমান ১০.১০ ঘটিকার সময় আর্মি ক্যাম্পে ক্যাপ্টেন আসাদকে ফোনে বিস্তারিত বিষয়টি অবহিত করিলে রাত অনুমান ১২.৩০ ঘটিকার সময় আর্মি ও পুলিশ সদস্যরা এসে আতিক উল্যার বাড়ী ঘেরাও করে ঘরের ভিতর প্রবেশ করে। আর্মি ও পুলিশ আসার সংবাদ টের পেয়ে আসামী আতিক উল্যাহ পালিয়ে যায়। স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার ইলিয়াস ও প্রতিবেশী দুলাল দের উপস্থিতিতে আর্মি ও
কবিরহাট থানা পুলিশ আতিক উল্যার বসত ঘরে তল্লাশী করে ড্রয়িং রুমের ওয়াড্রপের উপরের ড্রয়ারের ভিতর থেকে ০১ (এক) টি খয়েরি রংয়ের ব্যাগের মধ্য থেকে ১৩ (তের) বান্ডেল জাল ডলার এবং ০১ (এক) হাজার টাকার ২৫০ (দুইশত পঞ্চাশ) টি জাল নোট উদ্ধার পূর্বক জব্দ করেন। সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ ভাবে অভিযান করে পলাতক আসামী আতিক উল্যাহকে অপরাধমূলক কর্মকান্ডে এবং পলায়নে সহায়তা করার অপরাধে আসামী কবির উদ্দিন (৫১) কে রাত ০১.৩০ ঘটিকায় আটক করে। পরবর্তীতে বাদী থানায় এজাহার দায়ের করিলে কবিরহাট থানার মামলা নং- ৯, তারিখ- ২৪/১২/২০২৪ইং, ধারা- 489C/109 The Penal Code, 1860; তৎসহ 25A The Special Powers Act, 1974 রুজ করিয়া আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরন করা হয়।