উপজেলা প্রতিনিধি, বেগমগঞ্জ : বেগমগঞ্জ উপজেলার এক অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্যের বসত ঘরে আগুন দিয়েছে দুস্কৃতিকারীরা। ঘটনাটি ঘটেছে ৭ এপ্রিল সোমবার দুপুর ১২টার সময়।
বেগমগঞ্জ থানায় অভিযোগের আলোকে জানাযায়, বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানি ইউপির খালিশপুর মমিন উল্যার বাড়ির মমিন উল্যার ছেলে মনির আহাম্মদের বসত ঘরে কেবা কারা আগুন লাগিয়ে দেয়। পাশ্ববর্তী রুপসী আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার করেন। একই বাড়ির একজন মহিলা দৌড়ে আসে। তারা দুইজন মিলে পানি দিয়ে আগুন নিভাতে সক্ষম হন।
আগুনে তেমন কোন ক্ষয় ক্ষতি হয়নি। সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য মনির আহাম্মদ বাড়িতে না থেকে তিনি মাইজদী হাউজিংএ একটি ভাড়া বাড়িতে থাকেন। সে সুযোগে কে বা কারা আগুন লাগিয়ে দেয়। প্রতক্ষদর্শী রুপসী বলেন, আমি এ বাড়ির উঠান ঝাড়ু দেওয়ার সময় আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে পাশের ঘরের রুবি বেগম ঘর থেকে বেরিয়ে আসে এবং আমরা দুইজন মিলে পানি মেরে আগুননি ভাই। আগুন লাগার শুরুতে দেখতে পারায় তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। কারা আগুন দিয়েছে তা আমি দেখিনি।
অবসর প্রাপ্ত সেনা সদস্য মনির আহাম্মদ বলেন, আমরা বাড়িতে থাকিনা, আমাদের ঘর খালি পড়ে থাকে। পাশের ঘরে আমার ভাই হারুনুর রশিদের পরিবার থাকে। ঘটনার দিন আমি খবর পেয়ে এসে দেখি আমার ঘরে আগুন দিয়েছে দুস্কৃতকারীরা । আমি তখন এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের জানাই। আমার ঘরে কে আগুন দিয়েছে তা আমি দেখিনি, তবে আমার ধারণা আমার ভাইয়ের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী একই এলাকার সোহেল (৩০), ফারুক (৩২), উভয় পিতা মৃত আবুল কালাম সহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জন মিলে আগুন দিয়েছে। কারণ আমার ভাই হারুনুর রশিদের সাথে আমার সাথে জমি এবং টাকা নিয়ে বিরোধ চলছে। আমাকে বিভিন্ন সময় সোহেল ও ফারুক আমার ভাইয়ের পক্ষনিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ব্যাপারে হারুনুর রশিদ বিদেশ থাকায় তার মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি তবে তার স্ত্রী রুবি বেগম বলেন আমার স্বামী এ ঘটনার সাথে কোনভাবে জড়িত নই। আমার স্বামী ও আমার ভাসুরের মধ্যে টাকা নিয়ে ঝামেলা রয়েছে।
রাজগঞ্জের পুলিশ ফাঁড়ির এস আই মীর মাহফুজুর রহমান অভিযোগের বিষয়ে বলেন, আমি ঘটনারস্থল পরিদর্শন করেছি, আগুন লাগার ঘটনা সঠিক। মনির আহম্মদ সন্দেহজনক কয়েকজনের নাম বলেছে। তবে সাক্ষ্য প্রমান পাওয়া যায়নি। আমাদের তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।