
হুমায়ন আকাশ নোয়াখালী প্রতিনিধি।
আসন্ন চাটখিল উপজেলার ৫ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন সরব হয়ে উঠেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ ও ভোটারদের মধ্যে আলাপ-আলোচনায় উঠে আসছে নতুন ও পরিচিত অনেক মুখ। এই তালিকায় চেয়ারম্যান পদে শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের মুখে বারবার শোনা যাচ্ছে বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ চাটখিল উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক সাংবাদিক আনিস আহমেদ হানিফ-এর নাম।দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনীতি ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে আনিস আহমেদ হানিফের। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মতে, আসন্ন নির্বাচনে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রার্থী হিসেবে তিনি দলের পক্ষ থেকে যোগ্য প্রতিনিধি হতে পারেন। স্থানীয় ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আনিস আহমেদ হানিফ কেবল দলীয় কর্মকাণ্ডেই সীমাবদ্ধ নন, বরং ৫ নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক সংকট ও উন্নয়নমূলক কাজেও নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। বিশেষ করে তৃণমূলের নেতাকর্মী সহ যুব সমাজ ও সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর কারণে তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি বেশ জনপ্রিয়।নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে জানতে চাইলে আনিস আহমেদ হানিফ বাংলা টাইমস ই-কে বলেন আমি মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে সর্বদা পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং এলাকার জনগণ যদি আস্থা রাখেন, তবে আমি ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়ন ও একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন গড়তে কাজ করে যাবো।তিনি আরও বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে এবং সাধারণ ভোটাররা তাদের রেকর্ড ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে এলাকার উন্নয়নে নতুন প্রাণের সঞ্চার হবে।এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মোহাম্মদপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়াই বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে পারে। বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পাওয়া এবং নিজের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে আনিস আহমেদ হানিফ নির্বাচনে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারেন। তবে চূড়ান্ত প্রার্থীর বিষয়ে বিএনপি হাই কমান্ডের সিদ্ধান্ত এবং স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করছে। এখন সময়ের অপেক্ষায়—মোহাম্মদপুর ইউনিয়নবাসী কাকে যোগ্য নেতা হিসেবে বেছে নেবেন।
আপনার মতামত লিখুন :