প্রকাশিত: 27 June, 2024
সর্বশেষ আপডেট : 27 June, 2024

হাতিয়ায় কয়েক যুগ পর ছয় গ্রামের মানুষের স্বপ্ন পূরণ হল

উপজেলা প্রতিনিধি, হাতিয়া : হাতিয়া উপজেলায় সূর্যমুখী খালের উপর একটি কাঠের ফুটব্রিজ নির্মাণ করে তিন ইউনিয়নের ছয় গ্রামের মানুষের স্বপ্ন পূরণ করেছে। স্বপ্ন পূরণের উদ্যোগ নিয়েছেন পশ্চিম মাইজচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছায়েদুল ইসলাম মিটু। এতে সহযোগিতায় ছিলেন স্থানীয় সাংসদ মোহাম্মদ আলী, স্কুলটির শিক্ষার্থী ও সহকারী শিক্ষক মহিউদ্দিন, সোনাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান সহ স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের থেকে জানা যায়, এই স্থানটি নিয়ে বুড়িরচর এবং সোনাদিয়া ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের একটা সীমানা বিরোধ ছিল। অবশেষে উপজেলার পশ্চিম মাইজচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও স্থানীয় কয়েকজনের আন্তরিকতা সহ প্রায় ৬ মাস আলোচনা শেষে বিরোধ মীমাংসিত হয়।

হাতিয়ার বুক চিরে বয়ে যাওয়া সূর্যমুখী খালটি একসময় ছিল ভরা যৌবনা। এখানকার বানিজ্যের প্রাণকেন্দ্র ছিল এটি। কালক্রমে পলি জমে এটি প্রাণহীন হয়ে যায়। এখন অপরিকল্পিত ভাবে ব্রীজ- কালবার্ট নির্মান কিংবা যে যার মতো করে সাঁকো-ফুটব্রীজ নির্মাণ করে যাতায়াতের সহজতর পথ করে চলছে।

এদিকে, দীর্ঘ চল্লিশ বছরের সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তির ফলে খালটির দুই পাড়ের মানুষের উপকার এখন দৃশ্যমান হয়েছে। সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সুইচ বাজারস্থ এই জায়গা দিয়ে এখানকার সকল পেশার মানুষ উপকৃত হচ্ছে। বিশেষ করে দুই পাড়ের শিক্ষার্থী সহ তমরোদ্দি ইউনিয়নের বাশখালি, মদনখালি , জোড়খালি, সোনাদিয়া ইউনিয়নের পূর্ব মাইজচরা, পূর্ব চরচেঙ্গা এবং বুড়িচর ইউনিয়নের গুল্যাখালী ১নং ওয়ার্ডের লোকজন উপকৃত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় আবদুল হালিম, মোঃ হানিফ মিয়া, মোঃ রিপন আহমদ সহ আরো অনেকে।

এছাড়াও প্রাথমিক বিদ্যালয়, নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহ নামাজ আদায়ের জন্য দক্ষিণ বেড়ির মানুষ উত্তর পাশের জামে মসজিদে পারাপার হয়। ৮০ ফুট দৈর্ঘ এবং ৫ ফুট প্রস্তের ব্রীজটির সাথে ৩শ ফুট রাস্তাও নির্মিত হয়েছে । এতে উল্লেখিত ব্যক্তিরা ছাড়াও স্থানীয় কিছু জনগণ শারীরিক, মানসিক সহযোগিতা করেছেন বলে জানিয়েছেন পশ্চিম মাইজচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছায়েদুল ইসলাম মিটু। তিনি আরো জানান এই কাজটি করতে দীর্ঘ সময়ের পরিশ্রম, দৈর্য এবং ঝুঁকির মুখেও পড়তে হয়েছে।

আরও পড়ুন