উপজেলা প্রতিনিধি, সুবর্ণচর: জেলার সুবর্ণচর উপজেলায় পূর্বের তুলনায় বর্তমানে কয়েক গুণ বেশি লোডশেডিং ও ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিলের বোঝা চাপছে গ্রাহকের ঘাড়ে। গত কয়েক মাস ধরে লোডশেডিংয়ের কারণে গ্রাহক এমনিতেই বিদ্যুৎ পাচ্ছেন কম। উপরন্তু অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলও পরিশোধ করছেন গ্রাহকরা।
এর প্রতিবাদে আজ সোমবার দুপুরে সুবর্ণচর নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে উপজেলা গোলচত্বরে ঘণ্টাব্যাপী এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী ভুক্তভোগী জনগণ জানান, পূর্বের তুলনায় এখন লোডশেডিং বেড়েছে। এদিকে গতকাল রোববার থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিল না।
এ ব্যাপারে বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে অন্য দপ্তরকে দায়ী করে আগামী মাস থেকে সব ঠিক হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেন তারা। গ্রাহকের অভিযোগ- সময়মতো বিল পরিশোধ না করলে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে থাকেন। বিচ্ছিন্ন সংযোগ পুনরায় নিতে গেলে ভূতুড়ে বিল পরিশোধের পাশাপাশি সংযোগ নিতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।
মানববন্ধনকারীরা এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ সময় সুবর্ণচরের একাধিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে।
সুবর্ণচর নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য মো. দিদারুল আলম বলেন, ‘সুবর্ণচরের মানুষ ১৬-১৮ ঘন্টা লোডশেডিংয়ের কবলে পড়তে হয়। আগে আমার বাড়িতে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বিল আসত। এ মাসে বিল এসেছে ১ হাজার ৮০০ টাকা। আমরা এই অসহনীয় লোডশেডিং ও ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল থেকে পরিত্রাণ চাই।’
উন্নয়ন কর্মী রিদওয়ান হোসেন বলেন, ‘ সুবর্ণচরে কারখানা না থাকার পরও অসহনীয় লোডশেডিং হচ্ছে। খাওয়া-দাওয়া, নামাজ ও রাতে ঘুমানোর সময় বিদ্যুৎ থাকে না। সারাদিন কর্মব্যস্ত হয়ে বাড়ি ফিরে দেখি বিদ্যুৎ নেই, মোবাইলে চার্জ দিতে পারি না।
নবপ্রত্যয় যুব সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. এনামুল হক বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে বিদ্যুৎ বিল অনেক বেশি আসছে বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট লোকজনকে বললে তারা বলেন আর আসবে না, কিন্তু ৬ মাস ধরে অনাকাঙ্ক্ষিত বিল আসছেই।
মোহাম্মদপুর যুব সংগঠনের সভাপতি শরীফ ছালা উদ্দিন বলেন, ‘স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন নির্বাচনের পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে সুবর্ণচরের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা উন্নতির জন্য কাজ করবেন কিন্তু নির্বাচিত হয়ে তারা তা করেননি বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হয়েছে।’
এ বিষয়ে জোনাল অফিসের পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম আফজল হোসেন বলেন, ‘এ ধরনের অভিযোগ দুই একটা আমার কাছে আসে। ভুলত্রুটি হতে পারে। আমাদের কাছে এলে অবশ্যই আমরা সংশোধন করে দেব।’
মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন, কবি ও সাংবাদিক হানিফ মাহমুদ, মিডিয়া ও উন্নয়নকর্মী রেদওয়ানুল হোসেন, বাদশা আলম, খালিদ হাসান মামুন প্র
আপনার মতামত লিখুন :