
হুমায়ন আকাশ ,নোয়াখালী প্রতিনিধি:
চাটখিল উপজেলা বিএনপি নেতা মুর্তজা আলী লিটন সাবেক কৃষক দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদের পতাকা হাতে তুলে নিয়ে আজ অবধি তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন নিজের সাধ্যমতো। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামের পরিচিত মুখ।
১/১১ এর কারানির্যাতিত বিএনপি নেতা মুর্তজা আলী লিটন একজন ক্লীন ইমেজের রাজনীতিবিদ হিসেবেও কর্মীদের মাঝে খ্যাতি রয়েছে তার। এবার তিনি আলোচনায় উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে। আসন্ন চাটখিল উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় ইতোমধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছেন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুর্তজা আলী লিটন। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তার সম্ভাব্য প্রার্থীতা নিয়ে তৈরি হয়েছে আগ্রহ ও কৌতূহল।রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন মুর্তজা আলী লিটন। উন্নয়ন, নাগরিক সেবা ও আধুনিক উপজেলা ব্যবস্থাপনা নিয়ে তার বিভিন্ন উদ্যোগ ও পরিকল্পনা স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। ফলে উপজেলা চেয়ারম্যানপদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ক্রমেই আলোচনায় আসছে। স্থানীয়দের মতে, নেতৃত্ব, আধুনিক চিন্তা-ভাবনা এবং জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডের কারণে নতুন প্রজন্মের কাছে তিনি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। চাটখিল উপজেলা সদরে অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সেবাকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গিও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীতা ঘোষণা করা হয়নি, তবুও রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর গুঞ্জন রয়েছে—আসন্ন নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারেন মুর্তজা আলী লিটন। ফলে নির্বাচন ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে তার নাম এখন আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে। জানা যায়, মুর্তজা আলী লিটন ১৯৯০সালে থেকে বিএনপি’র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন
দলের প্রতি আস্থা এবং নিরলস সাংগঠনিক তৎপরতার কারণে মুর্তজা আলী লিটন ওয়ান ইলেভেনের সময় কারাগারে নির্যাতিত হন।তিনি চাটখিল উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয় কর্মীদের মতে জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন লড়াকু যোদ্ধা। রাজনীতির যে ভ্রাতৃত্ব এবং কল্যাণমূখী চিন্তা তার সবটুকুই রয়েছে তার মধ্যে। সুষ্ঠু ধারার রাজনৈতিক কর্মকান্ড এবং প্রগতিশীলতা লালন করেন তিনি। দলের আদর্শ এবং কর্মসূচি বাস্তবায়নে তিনি অবিচল এই নেতা। সবাইকে সাথে নিয়ে রাজনীতির কর্মকান্ড পরিচালনায় তিনি অনন্য এক উদাহারণ। হিংসা আর বিশৃঙ্খল রাজনীতির বাইরে তিনি ঐক্য এবং নমনীয় রাজনীতির পথে এগিয়ে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে কথা হলে মুর্তজা আলী লিটন জানান, ‘আগামী দিনে রাজনীতিতে আরো ভালো ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করবো। চাটখিল উপজেলার কল্যাণে কাজ করে যাবো। পাশাপাশি গণতন্ত্রের যে অভিযাত্রা শুরু হয়েছে তাকে আরো বেগমান করতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবো।
আপনার মতামত লিখুন :