
মো. আসাদুল্যাহ মিলটন ; সদ্য বিদায়ী বছরে (২০২৪) জেলার বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩০ নিহত হয়েছেন এবং ২৩ আহত হয়েছেন জন। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও জেলা বিআরটিএর সূত্রে এ রিপোর্ট প্রস্তুত করা হয়। ১৭ জানুয়ারি বেগমগঞ্জে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে বাসযাত্রীসহ ১২ জন আহত হন। ১৭ জানুয়ারি বুধবার রাত পৌনে ৮টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী-সোনাইমুড়ী সড়কের পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সোনাইমুড়ী থেকে মাইজদীগামী জননী পরিবহনের একটি বাস পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে স্থানীয় মকুলের ফার্মেসি ও রশীদের মুদি দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে বাসের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। ৯ ফেব্রুয়ারি (সদর) : জেলা সদরের সোনাপুর ইসলামিয়া আলীয়া কামিল (অনার্স) মাদ্রাসা মোড়ে এক ভবঘুরে নারীকে রাস্তা পার করে দিতে গিয়ে বাসচাপায় এক শিশুসহ দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। ৯ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম নিহত জান্নাতুল ফেরদাউস (৮)।
একই সঙ্গে অজ্ঞাত এক ভবঘুরে নারীও (৬০) নিহত হন। ১১ ফেব্রুয়ারি (সদর) : সদর উপজেলায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লেগে আরিফ হোসেন (২৪) নামে এক শিক্ষানবিশ চিকিৎসা সহকারীর মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার চেয়ারম্যান ঘাট-সোনাপুর সড়কের নোয়াখালী ইউনিয়নের ডাক্তার বাজার এলাকায় ১০ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলের অপর আরোহী ফাহিমুল হক তুহিন (২৪) নামে অপর এক যুবক। নিহত আরিফ হোসেন উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের পূর্ব এওজবালিয়া গ্রামের গুনবলির বাড়ির আব্দুল মান্নানের ছেলে এবং ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের শিক্ষানবিশ চিকিৎসা সহকারী।
১২ ফেব্রুয়ারি (বেগমগঞ্জ) : বেগমগঞ্জ উপজেলার সেতুভাঙ্গা এলাকায় কাভার্ডভ্যান চাপায় আবু নূর মোহাম্মদ মাসুম (৩৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের ভাই মাসুদ রানাসহ (৫০) আরও ৩ জন। হতাহতরা সবাই একটি অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সেতুভাঙ্গা পশ্চিম বাজার দানবাক্সের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আবু নূর মোহাম্মদ মাসুম লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পশ্চিম সৈয়দপুর গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক ছিলেন।
৭ মার্চ (সেনবাগ) : সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে জাহিদুল ইসলাম (১৯) নামের এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। ৭ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে ছমির মুন্সিরহাট-দিলদার মার্কেট সড়কের আজিজপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জাহিদুল ইসলাম উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড উত্তর মোহাম্মদপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। সে সেনবাগ ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
২৮ মার্চ (সদর) : জেলা শহর মাইজদী পুরাতন বাস স্ট্যান্ডের টোকিও ফুডের সামনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী এক প্রবাসী তরুণের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আরও এক মোটরসাইকেল আরোহী আহত হয়। নিহত আনোয়ার হোসেন অনিক (২২) কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ জগদানন্দ গ্রামের মাজারুল হক মন্টু মিয়ার ছেলে। ২৮ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে জেলা শহর মাইজদীর পুরাতন বাস স্ট্যান্ডের টোকিও ফুডের পাশে হায়দার ইলেক্ট্রনিক্সের সামনের সড়কে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের বাবা মন্টু মিয়া জানান, অনিক ২ মাস আগে বিয়ে করে। সে আবুধাবী প্রবাসী ছিল। ২ মাস ৫ দিন আগে সে দেশে ফিরে আসে। আসরের নামাজের পর বাড়ি থেকে সে বের হয়। আমাকে বলেছিল তাদের একটা ইফতার পার্টি আছে। ইফতার পার্টি শেষে বাড়ি ফিরবে। ইফতারের সময়
একটি নম্বর থেকে আমার মুঠোফোনে কল দিয়ে জানানো হয় অনিককে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। হাসপাতালে এসে জানতে পারি আমার ছেলে মারা গেছে। ১০ এপ্রিল (সদর ও কবিরহাট) : সদর ও কবিরহাট উপজেলায় দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় সাত বছরের এক শিশুসহ তিনজন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে দু’জন মারা গেছে সদর উপজেলায় এবং শিশুটি মারা গেছে কবিরহাট উপজেলায়। এতে গুরুতর আহত হয়েছে সদর উপজেলার আরও একজন। ১০ এপ্রিল বুধবার দুপুর দেড়টা থেকে তিনটার মধ্যে দুটি দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন সুবর্ণচরের চরজুবলীর মো. নেসার (৪৫) ও একই গ্রামের মো. সাবিক (২০)। আহত ব্যক্তি হলেন মধ্যম বাগ্গার মো. আলী (৪০)। জানা যায়, ওইদিন দুপুর দেড়টার দিকে সদর উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের হেরেংহি রোডের মাথায় মান্নানগর-চর জব্বর সড়কে দু’টি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়।
ওই ঘটনায় আহত হয়েছেন ট্রাকের এক সহকারী। আহত ব্যক্তিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরদিকে, বিকেল তিনটার দিকে কবিরহাট উপজেলার ভূঁইয়ারহাট বাজার এলাকায় একটি পিকআপ ভ্যানের চাপায় সাত বছর বয়সী এক শিশু নিহত হয়েছেন। শিশুটির নাম জোবায়ের হোসেন। ১০ এপ্রিল, ২০২৪ (বেগমগঞ্জ) : বেগমগঞ্জ নরোত্তমপুরে সিরাজ মিয়া (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ মোটরসাইকেল চাপায় নিহত হন। চৌমুহনী-সোনাইমুড়ী সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ৪ মে (বেগমগঞ্জ) : বেগমগঞ্জে ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে এক সেনা সদস্যসহ ৪ জন নিহত হয়েছে। ৪ মে শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী সড়কের বেগমগঞ্জের চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার লতিফপুর গ্রামের মো. রহমত উল্যাহ ভূঁইয়া (৬৫), সেনাসদস্য ফজলুল করিম (৫০) ও লক্ষ্মীপুরের আমানিয়া গ্রামের মো. আলাউদ্দিন (৪৫)। এছাড়া আরও একজনের পরিচয় জানা যায়নি। জানা যায়, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে একটি যাত্রীবাহী সিএনজি লক্ষ্মীপুর থেকে বেগমগঞ্জের দিকে যাওয়ার সময় বেগমগঞ্জের চন্দ্রগঞ্জ পূর্ব
এলাকায় পৌঁছলে ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রাক ও সিএনজি সড়ক থেকে ১৫ ফিট নিচে খালে পড়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থলেই সিএনজি চালকসহ ৪ জন নিহত হয়। ১৫ জুন (সদর) : সড়ক পার হতে গিয়ে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মো. আজাদ হোসেন নামের এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। ১৪ জুন শুক্রবার রাত ১১টার দিকে জেলা শহরের সোনাপুর-চৌমুহনী প্রধান সড়কের নোয়া কনভেনশন হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো. আজাদ হোসেন নোয়াখালী পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি ও একই ওয়ার্ডের গোপাই গ্রামের মৃত শামসুল হক খলিফার ছেলে। ২ জুলাই (সুবর্ণচর) : সুবর্ণচরে অটোরিকশা ও ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী বিএনপি ও জামায়াতের দুই নেতা নিহত হয়েছেন। ২ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১টায় রাজনৈতিক মামলায় জেলা আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে আবদুল্লাহ মিয়ার হাটের সুলতান নগরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন সুবর্ণচর উপজেলার চর আমানউল্যা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাটাবুনিয়া গ্রামের মৃত সুলতান আহমদের ছেলে জামাল উদ্দিন গাজী (৫৫) ও চরবাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত মাওলানা নুরুল উল্যার ছেলে হাফিজ উল্যাহ (৫৭)। ৫ জুলাই (সোনাইমুড়ী) : সোনাইমুড়ী উপজেলায় কাভার্ডভ্যান ও অটোরিকশার সংঘর্ষে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। ৫ জুলাই শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার বগাদিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন বগাদিয়া এলাকার বশির আহম্মদের মেয়ে বিউটি আক্তার (২৪) ও ছেলে ইয়াছিন আরাফাত (১৮)। তারা সম্পর্কে ভাই-বোন। জানা যায়, দুপুরে ঢাকা থেকে পণ্যবাহী একটি কাভার্ডভ্যান নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। ভ্যানটি সোনাইমুড়ী পৌরসভার বগাদিয়া এলাকায় পৌঁছালে উল্টো পথে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশায় থাকা দুই ভাই-বোন আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বজরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
২ আগস্ট (সোনাইমুড়ী) : সোনাইমুড়ী হাইওয়ে মহাসড়কে একটি দ্রুতগামী বাস সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশাকে চাপা দিলে ৭ মাসের শিশুসহ সিএনজি চালক নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আর দুইজন। ২ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যায় সোনাইমুড়ী উপজেলা পরিষদের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সোনাইমুড়ী হাইওয়ে সড়কের উপজেলা পরিষদের সামনে সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ঢাকা এক্সপ্রেস নামে একটি বাস চাপা দেয়। এতে সিএনজি যাত্রী গৃহবধূ নাহিদা আক্তার (৩২) ও তার ৭ মাস বয়সী ছেলে হামজা, হারুনুর রশীদ (৪৫) ও অজ্ঞাতনামা সিএনজি চালক গুরুতর আহত হলে তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখান থেকে তাদেরকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশু হামজা ও সিএনজি চালককে মৃত ঘোষণা করেন। ৩ আগস্ট (বেগমগঞ্জ) : বেগমগঞ্জ উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছে। ৩ আগস্ট শনিবার বেলা ১১টার দিকে নোয়াখালী-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের বেগমগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দোকানঘর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- দুর্গাপুর ইউনিয়নের ছাদু বেপারী
বাড়ির সিএনজি চালক জসিম উদ্দিন (৫৫), তার মা তাহেরা বেগম (৭৫) ও তার জেঠাতো ভাই সলিমুল্লার স্ত্রী কহিনুর বেগম (৪৫)। জানা যায়, পার্শ্ববর্তী জেলা ফেনী থেকে স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। যাত্রা পথে বাসটি নোয়াখালী-ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের দুর্গাপুর ইউনিয়নের দোকানঘর এলাকায় পৌঁছালে বাসটি উল্টো পথে ঢুকে পড়ে। এসময় ওই পথে সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশাকে সামনে থেকে চাপা দেয় বাসটি। এতে সিএনজিটি দুমড়ে মুচড়ে বাসের নিচে চলে যায়। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলেই সিএনজি চালক ছেলে-মা ও তার জেঠাতো ভাইয়ের স্ত্রী মারা যান। ২৭ আগস্ট (সোনাইমুড়ী) : সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে গনি মাস্টারপুল সংলগ্ন সড়কে মাগরিবের নামাজ আদায় করার জন্য বের হয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হন মো. সহিদ উল্যা মাস্টার নামে এক ব্যক্তি। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
১২ অক্টোবর (সুবর্ণচর) : সুবর্ণচর উপজেলার চরজব্বরে মোটরসাইকেলের সাথে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে অটোরিকশাচালক গুরুতর আহত হন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ১৬ নভেম্বর (সদর) : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) পরিচালক (হিসাব) মোহাম্মদ সাইদুর রহমান সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন। ১৬ নভেম্বর শুক্রবার সোনাপুর-সুবর্ণচর সড়কে তিনি এ দুর্ঘটনার শিকার হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওইদিন রাতেই তাকে ঢাকার নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন ১৭ নভেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য মোহাম্মদ সাইদুর রহমানকে ঢাকার নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
১৭ নভেম্বর (বেগমগঞ্জ) : বেগমগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। ১৭ নভেম্বর শনিবার দুপুরে বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা আরোহী আইরিন (১৩) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। এতে নিহতের আপন ছোট বোন আঁখি (৭) গুরুতর আহত হয়। অপরদিকে ট্রাকের ধাক্কায় নুরজাহান বেগম (৪৫) নামে এক নারীর নিহত হন। নিহত আইরিন উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের কৃষ্ণরামপুর গ্রামের মো. বাবুলের মেয়ে। উপজেলার জিরতলী চৌরাস্তা-চন্দ্রগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে। একই উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় নিহত নুরজাহান চৌমুহনী পৌরসভার গণিপুর এলাকার মো. জাহাঙ্গীরের স্ত্রী। ১৭ নভেম্বর শনিবার বিকেলে রেইলগেইট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। ১৫ ডিসেম্বর (চাটখিল) : চাটখিলে গরুবোঝাই ট্রাকচাপায় রাহুল নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।
নিহত জিহারুল ইসলাম রাহুল (১৭) উপজেলার দক্ষিণ দশঘরিয়া গ্রামের নুরুল ইসলাম খোকনের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইলেকট্রিক মিস্ত্রি ছিলেন। ১৫ ডিসেম্বর রোববার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চাটখিল বাজারের জাহাঙ্গীর টাওয়ার সংলগ্ন ঢাকা-রামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ২৬ ডিসেম্বর (সেনবাগ) : সেনবাগ উপজেলায় সড়ক পার হওয়ার সময় দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় এক সবজি বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। ২৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফেনী-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের হজনীখাল এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মো. বাবুল হোসেন (৫৫) পার্শ্ববর্তী বেগমগঞ্জ উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের নিদেশগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
আপনার মতামত লিখুন :