প্রকাশিত: 22 September, 2025
সর্বশেষ আপডেট : 22 September, 2025

ভারত ৮ – ০ পাকিস্তান

শিরোনাম দেখে মনে হতে পারে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচের ফল। আসলে তা নয়। পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের সফল রান তাড়ার রেকর্ড এটি। এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচ জিতে যা অর্জন করেছে ভারত।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এটি ছাড়াও আরও বেশ কিছু রেকর্ড গড়েছে ভারত। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সেসব রেকর্ড

৮-০

পাকিস্তানের বিপক্ষে রান তাড়ায় ৮ ম্যাচের সবকটি জিতেছে ভারত। চলতি এশিয়া কাপেই তারা দুই ম্যাচ জিতেছে পরে ব্যাটিং করে।

রোববার তাড়া করা ১৭২ রানই পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটিই কোনো দলের বিপক্ষে রান তাড়া করে সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ড। এই ফরম্যাটে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে মালয়েশিয়াও রান তাড়ায় ৮-০ ব্যবধানে এগিয়ে।

২৪

পাকিস্তানের বোলারদের কচুকাটা করে মাত্র ২৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন অভিষেক শর্মা। পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতীয় ব্যাটারদের এটিই দ্রুততম ফিফটি।

আগের রেকর্ডটি অভিষেকের মেন্টর যুবরাজ সিংয়ের। ২০১২ সালে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের ম্যাচে ২৯ বলে ফিফটি করেছিলেন কিংবদন্তি অলরাউন্ডার।

১০৫

রান তাড়ায় উদ্বোধনী জুটিতে ৫৯ বলে ১০৫ রান যোগ করেন অভিষেক ও শুবমান গিল। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে এটিই তাদের সর্বোচ্চ জুটি। ২০১২ সালে গৌতম গম্ভীর ও অজিঙ্কা রাহানে গড়েছিলেন ৭৭ রানের জুটি।

এছাড়া সব মিলিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতের এর চেয়ে বড় জুটি আছে আর একটি- ২০২২ সালে বিরাট কোহলি ও হার্দিক পান্ডিয়ার ১১৩ রানের।

ভারতের দ্বিতীয় ওপেনার হিসেবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ফিফটি করলেন অভিষেক। এর আগে ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ৭৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন গম্ভীর।

 

৬৯/০

ঝড়ো ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে ৬৯ রান নেন অভিষেক ও গিল। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটিই ভারতের সর্বোচ্চ পাওয়ার প্লে স্কোর। ২০২২ সালের এশিয়া কাপে ১ উইকেটে ৬২ রান করেছিল তারা।

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৫৫ রান করে পাকিস্তান। ভারতের বিপক্ষে এটি তাদের সর্বোচ্চ। ২০১২ সালে বিনা উইকেটে ৫৪ রান করেছিল তারা।

৪৫

এদিন ৪ ওভারে ৪৫ রান খরচ করে উইকেটশূন্য থাকেন জাসপ্রিত বুমরাহ। তার ক্যারিয়ারে এটি তৃতীয় খরুচে বোলিং। ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫০ ও ২০১৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৭ রান দিয়েছিলেন বুমরাহ।

রোববারের ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় ৫টি সুযোগ হাতছাড়া করে ভারত। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২০১৯ সালের পর এবারই প্রথম এত বেশি সুযোগ হারিয়েছে তারা। ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৪টি ক্যাচ ছেড়েছিল ভারত।

আরও পড়ুন