
উপজেলা প্রতিনিধি, সদর:২৫০ টা জালাল হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা আর এম ও ডাক্তার সৈয়দ মহিউদ্দীন আব্দুল আজিমকে বান্দরবানের রুমা উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হাসপাতালে সকল টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ ও সার্টিফিকেট বাণিজ্যসহ অনিয়ম দুর্নীতির নানা অভিযোগ রয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী।
তিনি বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক ডাক্তার এবিএম আবু হানিফের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বদলির বিষয়টি জানানো হয়েছে।চিঠিতে বলা হয়, ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিমকে (কোড-১২২০৮৭) বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আরএমও হিসেবে (পদের আইডি-৯১২১) বদলি করা হলো।
অন্যদিকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবাসিক সার্জন রাজিব আহমেদ চৌধুরীকে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী নোয়াখালী যারা হাসপাতালের (আরএমও) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয় প্রজ্ঞাপন জারির তিন দিনের মধ্যে
সংশ্লিষ্টরা তাদের দায়িত্বভার হস্তান্তর করতে হবে।যোগদানের দেরি হলে তারা অবমুক্ত হয়েছেন বলে দিতে হবে।ডাক্তার সৈয়দ মহিউদ্দিন আব্দুল আজিম ২০১৮ সালের ১০ জানুয়ারি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা আরএমও হিসেবে যোগদান করেন।
তিনি স্থানীয় সংসদ একরামুল করিম চৌধুরীর আস্থাভাজন থেকে বিভিন্ন টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ সহ টাকার বিনিময় মেডিকেল সার্টিফিকেট বাণিজ্য করার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ প্রতিবেদন নিতে ও তাকে টাকা দিতে হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। নিয়মিত অফিস না
করার অভিযোগতো রয়েছেই।অফিসে প্রায় সময় চেয়ারে বসে ঘুমানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে আর এম ও ডাক্তার সৈয়দ মহিউদ্দিন আব্দুল আজিম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে বলেন আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা।
আমরা সরকারের কর্মচারী সরকার যেখানে পাঠাবে, আমরা চাকুরী করতে বাধ্য।
আপনার মতামত লিখুন :