প্রকাশিত: ১৪ নভেম্বর, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ১৪ নভেম্বর, ২০২৪

জেলাতে চাঁদাবাজির হাতবদল

উপজেলা প্রতিনিধি, সোনাইমুড়ী :ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকার পতনের মতো ঘটনা ঘটে গেলেও চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্যের অবসান হয়নি। ক্ষমতার পটপরিবর্তনের ধাক্কায় কেবল চেহারায় বদল ঘটেছে, চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি। সরকার বদলের শুরুর দিকে কিছুটা ‘বিরতি’ দিয়ে নতুন পরিচয়ে ধীরে ধীরে আবারও মাঠে নেমে পড়েছে চাঁদাবাজরা। আগের মতোই সারা দেশে তাদের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। চৌমুহনী বেগমগঞ্জ চোরাস্তা  সোনাইমুড়ী  ছাতারপাইয়া চৌরাস্তা কলেজ গেট স্প্রিংয়ের পোল   এখনো অটো রিক্সা- সিএনজি থেকে  চাঁদাবাজি হচ্ছে দেখার কেউ নেই।
এদিকে জানা যায় যে  (২৫ জুন)বেগমগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পরিবহন থেকে চাঁদা নেওয়ার সময় ৩৪ চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১। এ এসময় চাঁদা আদায়ের নগদ ৯৮হাজার ৫১৫ টাকা, ৩৪টি মোবাইল, লাঠিসোঁটা এবং বিপুল পরিমাণ চাঁদা আদায়ের রশিদ জব্দ করা হয়।
 (২৫ জুন) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী পুলিশ সুপার মো. গোলাম মোর্শেদ।২৫ জুন এরআগে,র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা চাঁদাবাজির সাথে তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করে। তারা জেলা  শহর মাইজদী, মাইজদী বাজার, দত্তেরহাট, সোনাপুরের এবং বেগমগঞ্জের চৌমুহনী, চৌরাস্তা সোনাইমুড়ি  বাইপাস রাস্তা  কলেজ গেট স্প্রিং পুল  সড়ক ও মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়ি, সিএনজি  চালিত অটোরিকশা, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা থেকে চাঁদাবাজি করে। চাঁদাবাজরা একাধিক গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রতিদিন রাস্তার উপর অবস্থান নেয়।
বর্তমানে আবারও  দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ও আভ্যন্তরীণ পণ্যবাহী যানবাহন ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে প্রবেশের সময় তারা লেজার লাইট, লাঠি ও বিভিন্ন সংকেতের মাধ্যমে গাড়ি থামিয়ে ড্রাইভারদের থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা চাঁদা আদায়ের রশিদও প্রদান করে থাকত। ড্রাইভাররা তাদের চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের গাড়ি ভাংচুর, ড্রাইভার-হেলপারকে মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।
সিএনজি চালাক মোঃ আবুল কালাম বলেন  ,চাঁদাবাজ  চক্রটি  বিভিন্ন এলাকার সড়ক- মহাসড়ক থেকে প্রতি রাতে পণ্যবাহী গাড়ি, সিএনজি, অটোরিকশা চালকদের থেকে লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করে থাকে বলে জানা যায়।
আরিফ হোসেন  ট্রাকচালক  অভিযোগ করে বলেন , জেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে পরিবহনে বিভিন্ন স্টীকার প্রদর্শন করে চাঁদা আদায়, মাসিক চাঁদা আদায় এবং সড়কে পরিবহন চালানোর শুরুতে ভর্তির নামে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায় করে আসছে একটি চক্র। চাঁদা আদায়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে হলেও প্রভাবশালীদের চত্রছায়া থাকায় পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। র‌্যাব এর অভিযানে চাঁদাবাজ গ্রেপ্তার হওয়ায় খুশি পরিবহন মালিক-শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ। তারা চায় এ অভিযান অব্যহত থাকুক

আরও পড়ুন