প্রকাশিত: ১৮ মার্চ, ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট : ১৮ মার্চ, ২০২৫

শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার অভিযোগে মাদ্রাসা তালাবদ্ধ করে যুবকের প্রতিবাদ

মো: কামাল উদ্দিন, সুবর্ণচর : সুবর্ণচর উপজেলার ৫নং চর জুবিলী ইউনিয়নে একটি নুরানি ও হেফজুল কুরআন মাদ্রাসায় শিক্ষকের গায়ে হাত তোলার অভিযোগে মাদ্রাসা রুম তালাবদ্ধ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

৫ নং চর জুবিলী ইউনিয়নে হাজী লাল মিয়া মহাজন নুরানী ও হেফজুল কুরআন মাদ্রাসার দুই সহকারী শিক্ষক আব্দুস সাত্তার ও ইব্রাহিম খলিল এর মাঝে সাধারণ বিষয় নিয়ে হাতাহাতি হওয়াতে, আব্দুস সাত্তারের পক্ষের লোকজন বিচারের দাবিতে মাদ্রাসার ছাত্রদের আবাসিক রুম ও শিক্ষকদের অফিসরুমে তালা মেরে দেয়।এতে সাধারণ ছাত্ররা ভুক্তভোগী হওয়াতে স্থানীয় সাংবাদিকদরা চর জব্বর থানা পুলিশের সাহায্য নিয়ে মাদ্রাসার তালা খোলার ব্যবস্থা করেন।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টার উক্ত মাদ্রাসার নুরানি বিভাগের সহকারি শিক্ষক আব্দুস সাত্তারের সাথে আরেক শিক্ষক ইব্রাহিম খলিলের কথা-কাটাকাটি হয় একপর্যায়ে তা হাতাহাতি তে রূপ নেয়।পরে তারা যে যার মতো করে চটকিবাড়ি হুজুরের জানাযাতে চলে যায় কিন্তু পরবর্তীতে মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুস সাত্তার বিষয়টি স্থানীয় যুবক ছিদ্দিক উল্যাহকে জানালে বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করে। অভিযুক্ত ছিদ্দিক উল্যাহ এর একটি বিহীত করার জন্য মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক নুর নবীর কাছে দাবি করেন এবং বলেন, “যদি ইব্রাহিম খলিল এর বিচার না হয় তাহলে এই মাদ্রাসা বন্ধ থাকবে”।

এই ঘটনার পর ইফতারের পরবর্তী সময় এসে অভিযুক্ত ছিদ্দিক উল্যাহ ও মো: ফয়েজ নামক অভিযুক্ত ব্যক্তিরা শিক্ষকদের অফিস, নুরানি ও নাজরানা বিভাগের ছাত্রদের রুম থেকে বের করে ওখানে তালা মেরে দেন।পরে তারা হেফজ বিভাগের আবাসিক রুমে গেলে ওখানে ওদের কে ভিতরে রেখে তালা মেরে দেন।পরবর্তীতে শিক্ষক ও ছাত্রদের অনুরোধে ১০/১৫মিনিট পর তিনি ঐ রুমের তালা খুলে দেন।পরে ছাত্ররা তারাবির নামাজ আদায় ও খাওয়া দাওয়া শেষ করার পর তাদের ঘুমানোর সময় হলে তাদের আবাসিকের অন্য একটি রুমের তালা অভিযুক্তরা না খুলে দিলে, তারা বিষয়টি সংবাদকর্মীদের জানায়। স্থানীয় সংবাদকর্মীরা রাত ১১টায় এসে ছাত্রদের মাদ্রাসা মাঠে অবস্থান করতে দেখে এবং এর সমাধানের জন্য চর জব্বর থানা পুলিশকে জানালে, এসআই অপু এসে তালা খোলার ব্যবস্থা করেন।

তাদের বিষয়টি বসে মিটমাট করার অনুরোধ করেন এছাড়া কারো অভিযোগ থাকলে থানায় লিখিত অভিযোগ করতে বলেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছিদ্দিক উল্যাহ বলেন, বেশ কিছুদিন থেকে শিক্ষকদের মাঝে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝামেলা চলতেছে,আমরা দাতা সদস্য হিসাবে এর একটা সমাধা করতে বললেও তারা সমাধা করেনি।তাই আমি মাদ্রাসার অফিসে তালা মেরে দিয়েছি,ছাত্রদের আবাসিক রুমে তালা মারার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।

আরও পড়ুন