
উপজেলা প্রতিনিধি, সদর : দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া থেকে ভাসানচরকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ও বর্তমান সরকারেরউপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানের পদত্যাগের দাবিতে জেলা শহর মাইজদীতে মানববন্ধন করেছে হাতিয়া সমিতি।
শনিবার বিকেলে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনে হাতিয়া সমিতি আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। আন্দোলনকারীরা এ সময় ভাসানচরের ওপর অবৈধ হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে এবং উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানের পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন ।
এসময় বক্তব্য রাখেন, সমিতির সভাপতি এহসানুল কবির সোহেল, সহ-সভাপতি এ্যাডভোকেট আবু ছায়েদ মোহাম্মদ নোমান, যুব কল্যান পরিষদের সভাপতি মো. শাহদাত হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ভাসানচর একটি মিমাংসীত বিষয়। এটিকে চট্রগ্রাম জেলার সন্ধীপের সাথে নিয়ে যাওয়ার অপচেষ্টা করে আঞ্চলিক দাঙ্গা লাগানোর উসকানি দেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে নগ্ন হস্তক্ষেপ করছেন সন্ধীপের বাসিন্দা ও বর্তমান সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্ঠা ফাওজুল কবির খান। যা কোন ভাবে মেনে নেওয়া হবে না। তারা আরো বলেন,আঞ্চলিক শান্তি বিনষ্ট করার কারণে এই উপদেষ্ঠার পদত্যাগের দাবি জানানো হয়। এ ষড়যন্ত্র দ্রুত অবসান করে ভাসানচরকে হাতিয়ায় বহাল না রাখলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেওয়া হয়।
জানাযায়, ১৯৫৪ সালে পুরানো নোয়াখালী জেলা থেকে সন্ধীপ থানা আলাদা করা হয় । এর পর সাগরে জেগে উঠা নতুন ততুন কয়েকটি চর জেলার সাথে অর্ন্তভুক্ত করে এর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ভাসানচরের দিয়ারা জরিপের মাধ্যমে ৬টি মৌজায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই ছয় মৌজার একটি ভাসানচর। পরে হাতিয়া উপজেলাধীন বনবিভাগ ২০০২-২০০৩ সালে বনায়ন সৃজন করে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প হিসেবে ভাসানচরকে হাতিয়া উপজেলার প্রশাসনিক এলাকার এবং জেলার আওতায় থানা গঠন করে নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্রীয় সকল ধরনের কর্মকান্ড পরিচালিত হয়ে আসছে।
আপনার মতামত লিখুন :