প্রকাশিত: ৫ আগস্ট, ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট : ৫ আগস্ট, ২০২৫

নোয়াখালী- ৪ আসনে হাতপাখার সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা ফিরোজ আলম-এর আনুষ্ঠানিক প্রচারণা 

নোয়াখালী সদর : জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে ৫ আগস্ট মঙ্গলবার সকাল ১০টায় মাইজদী জেলা জামে মসজিদ চত্ত্বরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত নোয়াখালী -৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের প্রার্থী মাওলানা ফিরোজ আলম গণমিছিল এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেন।
নোয়াখালী-৪ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ডা. মুহা. আবদুল মুকিত এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, মাও. মাহমুদুর রহমান, মাও. মুদ্দাচ্ছির হোসাইন, মাও. খালেদ সাইফুল্লাহ, মাও. ইসরাফিল, মাও. আবুল বাশার, মুফতী ইসমাইল, জনাব ইকবাল হোসাইন, মুহা. ওলী উল্যাহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

নোয়াখালী-০৪( সদর-সুবর্ণচর) আসনের প্রার্থী মাওলানা ফিরোজ আলম বলেন, আওয়ামী লীগের দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসন গণ–অভ্যুত্থানের পটভূমি রচনা করেছিল। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের পরপর তিনটি নিয়ন্ত্রিত ও একতরফা নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা ক্রমশ নিজের হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করেন। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরে একচেটিয়া কর্তৃত্ব কায়েম করে সব রকমের বিরোধী মত ও কার্যক্রম কার্যত রুদ্ধ করে দেন। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, গায়েবি মামলা ইত্যাদি আইনি–বেআইনি নিষ্পেষণে দেশ ত্রাসের রাজত্বে পরিণত হয়। বিরোধী মতের প্রকাশ হয়ে ওঠে অপরাধ।

মাওলানা ফিরোজ আলম আরো বলেন, “৫ আগস্টের পর বাস, সিএনজি, অটোরিকশা, মাইক্রো স্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন বাজারে দখল একই আছে, শুধু চাঁদাবাজদের চেহারা পরিবর্তন হয়েছে। এদের দমাতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দূর্গ গড়ে তুলতে হবে। চাঁদাবাজমুক্ত নোয়াখালী গড়তে হবে। আর এজন্য তিনি সৎ লোকদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করার আহবান জানান এবং আগামী নির্বাচনে হাতপাখা প্রতীককে ভোট দেয়ার আহবান জানান। ”

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে নোয়াখালী জেলা সব ক্ষেত্রে সুযোগ-সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় পরিণত হয়েছে। এখানে সিটি করপোরেশন, বিভাগ ও সুবর্ণচর পৌরসভা হতে দেয়নি নোয়াখালীর সাবেক নেতারা। তারা নিজেদের আখের গুছিয়ে পালিয়ে গেছে।’
গণমিছিলটি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়।

আরও পড়ুন