
উপজেলা প্রতিনিধি, কোম্পানীগঞ্জ : কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ও বসুরহাট পৌরসভায় বিএনপির নামে ২৯ জনের নাম ব্যবহার করে শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে ‘শৃঙ্খলা কমিটি’ করার ঘটনায় আবারও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন নুরুল আলম সিকদার। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও দলীয় পদে বিতর্কিত একটি চরিত্র।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কমিটি ভাইরাল হওয়ার পর নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। অভিযোগ, কমিটিতে নামোল্লেখ অনেক নেতা-সদস্য এ বিষয়ে অজ্ঞ। অনেকেই বলছেন, দলকে বিতর্কিত ও ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য সিকদার অনৈতিক পথ বেছে নিয়েছেন।
সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান রিপন, বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আবদুল মতিন লিটন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সামসুদ্দিন হায়দার, ছালা উদ্দিন সুমন এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদসহ নেতারা অভিযোগ করেছেন, নুরুল আলম সিকদারের এমন কমিটি করার কোনো ক্ষমতা নেই। দলের কোনো কার্যকরী কমিটি নেই এবং দলীয় প্যাড ব্যবহার করার নৈতিক এখতিয়ার তার নেই।
নুরুল আলম সিকদার দাবি করেছেন, তিনি নোয়াখালী জেলা বিএনপির নির্দেশে খসড়া কমিটি করেছেন। তবে কমিটি ফেসবুকে কিভাবে ছড়িয়েছে, তা তিনি জানেন না। তিনি দলের প্যাড ব্যবহার ন্যায়স
ঙ্গত কিনা বা বিএনপির কোনো কমিটি আছে কি না, এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য দেননি।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কাজের অভিযোগ তুলেছেন। ইতোমধ্যে নুরুল আলম সিকদারের পূর্ববর্তী জেলা প্যাড ব্যবহার সংক্রান্ত বিতর্কও স্মৃতিতে ফিরে এসেছে।
নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো জানিয়েছেন, নুরুল আলম সিকদারকে এ ধরনের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। কেন তিনি পুনরায় দলের প্যাড ব্যবহার করে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন, তা খতিয়ে দেখা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :