
এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে উড়তে থাকা শ্রীলঙ্কা বড়সড় ধাক্কাই খেয়েছে সুপার ফোরে খেলতে এসে। ‘বি’ গ্রুপে তিন ম্যাচের সবকটি জিতলেও, সুপার ফোরে কোনো জয় পায়নি এশিয়া কাপের ছয়বারের চ্যাম্পিয়নরা।
টানা তিন ম্যাচ হেরে বিদায় নেওয়ার দলটির কাছে সবচেয়ে হতাশার হলো, বাংলাদেশের কাছে পরাজয়। ভারতের বিপক্ষে সুপার ওভারে হারের পর সেই কথাই বললেন, শ্রীলঙ্কার প্রধান কোচ ও সাবেক কিংবদন্তি ব্যাটার সনৎ জয়াসুরিয়া।
সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশের মুখোমুখি হয় শ্রীলঙ্কা। দুবাইয়ে আগে ব্যাট করে ১৬৮ রানের পুঁজি নিয়েও ম্যাচটি জিততে পারেনি তারা। সাইফ হাসান ও তাওহিদ হৃদয়ের চমৎকার ব্যাটিংয়ে সহজ জয়ই পায় বাংলাদেশ।
পরে পাকিস্তান আর ভারতের বিপক্ষেও জিততে পারেনি তারা। শেষ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ২০২ রানের জবাবে ঠিক ২০২ রান করে খেলা সুপার ওভারে নেয় লঙ্কানরা। যেখানে মাত্র ২ রান করতে পারে তারা। পরে ১ বলেই জিতে যায় ভারত।
সব মিলিয়ে সুপার ফোরে তিন ম্যাচের সবকটি হেরে শেষ হয় শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ। ভারত ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে জয়াসুরিয়া বলেন, বাংলাদেশের কাছে হারটিই তাদের কাছে সবচেয়ে হতাশার।
“টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততার সঙ্গে কন্ডিশন বুঝতে পারাই মূল। প্রথম রাউন্ডে আবু ধাবির উইকেটে গতি ও বাউন্স ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডে সব বদলে গেছে এবং আমরা মানিয়ে নিতে অনেক সময় লাগিয়েছি। যা আমাদের ক্ষতি করেছে।”
“হতাশার বিষয় ছিল, বাংলাদেশের বিপক্ষে সুপার ফোরের ম্যাচটি। ওই পিচে ১৬৮ রান ভালো স্কোর ছিল। কিন্তু সেটি ডিফেন্ড করার জন্য যথেষ্ট ভালো বোলিং করতে পারিনি আমরা। পাকিস্তানের বিপক্ষে আবু ধাবির কন্ডিশন যথেষ্ট দ্রুত সময়ে বুঝতে পারিনি। মানিয়ে নিতে দেরি করেছি।”
তবে সার্বিকভাবে নিজের দল নিয়ে মোটামুটি সন্তুষ্ট শ্রীলঙ্কার কোচ।
“ভারতের বিপক্ষে আমরা ২০০ রানের বেশি করেছি। আমাদের ছেলেরা দেখিয়েছে, তারা ২০০ রান তাড়া করার সামর্থ্য রাখে। তবু শেষ পর্যযন্ত আমরা পারিনি। তাই বাংলাদেশ ম্যাচটা বাদ দিয়ে আমি মোটামুটি সন্তুষ্ট। যদিও ফাইনালে যেতে না পারার হতাশা আছে।”
“ব্যাটিং-বোলিংয়ে আমাদের যথেষ্ট সামর্থ্য আছে। মূল বিষয়টা হলো প্রতিপক্ষ ও কন্ডিশন বুঝে যে কোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা। আমরা যদি সেটি ধারাবাহিকভাবে করতে পারি, তাহলে এই দল অনেক দূর যেতে পারবে।”
আপনার মতামত লিখুন :