
বিজয় দিবস আমাদের গর্ব ও প্রেরণার নাম। এই বিজয় দিবসে আজ এই দিনে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি জাতির সেই সূর্যসন্তানদের, যাদের ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে পেয়েছি আমরা একটি স্বাধীন ভূখণ্ড। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক নোয়াখালী জেলার কৃতি সন্তান বিএনপি নেতা আবুল কালাম আল আজাদ বলেন: নতুন প্রজন্মের কাছে সকল বীর যোদ্ধাদের পরিচিতিসহ তাঁদের বীরত্ব গাঁথা তুলে ধরতে হবে। শহীদ বীর যোদ্ধাদের বীরত্ব নতুন প্রজন্ম সহ সকলের কাছে সম্মানের সাথে তুলে ধরতে হবে, যেন আগামী প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীরা তাদের ত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীনতা শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করে, রক্ষা করে নিজেদের জীবন গঠন করে।১৯৭১ সালের এই দিনেই পাকিস্তানি বর্বর হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে এই দেশ কে শত্রু মুক্ত করেছিল এই দেশের বীর সন্তানেরা। প্রথমেই স্বরণ করছি সেই বীর শহীদদের যাদের আত্বত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। সেই সাথে আমি স্বরন করছি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কে যার “উই ওয়ান্ট রিভোল্ট” এই ঘোষণার মাধ্যমে এই দেশের হাজার হাজার আবাল বৃদ্ধ বনিতা কৃষক শ্রমিক জনতা পাক হানাদার বাহিনীর উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল এই দেশ এবং এই দেশের মানুষ কে শত্রু মুক্ত করার জন্য। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর—পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশে জন্ম নেওয়া দোসর আলবদর, আলশামস, রাজাকাররা মাথা নত করে আত্মসমর্পণ করেছিল এদেশের সুর্য সন্তানদের কাছে।
দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে তারা নির্মম অত্যাচার চালিয়ে শুধু এদেশের নিরীহ মানুষ কে হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি।বিশ্বাসঘাতকেরা পাকিস্তানি বর্বর হানাদার বাহিনীর সাথে হাত মিলিয়ে এদেশের নিরীহ সংখ্যালঘুদের ওপর চালিয়েছে নির্মম হত্যাযজ্ঞ। রাজাকাররা সেদিন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে মুক্তিকামী বীরদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আলবদর-আলশামস বাহিনী গঠন করেছিলো। পরবর্তীতে তাদের সরাসরি অংশগ্রহণে পাক হানাদার বাহিনী এদেশের নিরীহ ত্রিশ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছে,আলবদর, রাজাকার বাহিনীর সহযোগিতায় পাক হানাদার বাহিনী এদেশের নিরীহ দুই লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত তুলে দিয়েছে বর্বর হানাদার পাক বাহিনীর হাতে!আজ স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর— আবার সেই পুরনো শত্রুদের চোখ পড়েছে এদেশের স্বাধীনতা ও স্বাধীন মানচিত্রের ওপর।ইতিহাসের পরাজিত শক্তি আবার মাথা তুলে দাড়াতে চায়। কিন্তু শুনে রাখো পাকিস্তানের রেখে যাওয়া দোসররা!এই বাংলার মানুষ কখনো পরাধীনতা মেনে নেয়নি, নেবেও না। এই দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রয়োজনে এদেশের মুক্তিকামী মানুষ শরীরের শেষ রক্তবিন্দু ঢেলে দিতেও প্রস্তুত আলবদর-আলশামসের রেখে যাওয়া পাকিস্তানি দোসরদের হাত থেকে এই দেশ, এই দেশের মানুষ, এই লাল-সবুজের পতাকা—এদেশের লক্ষ কোটি দেশ প্রেমি জনগণ রক্ষা করবে! বাংলাদেশ থাকবে স্বাধীন সার্বভৌমত্ব—চিরকাল। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর যেভাবে এদেশের মুক্তিকামী যোদ্ধাদের কাছে পরাজয় মেনে নিয়ে আত্নসমর্পণ করে লেজ গুটিয়ে এদেশ ছেড়ে পালিয়েছে পাক হানাদার বাহিনী। ইনশাআল্লাহ আবারও মাথাঝাড়া দিয়ে উঠা হানাদার বাহিনীর দোসররাও অচিরেই পরাজয় মেনে নিতে বাধ্য হবে।এদেশের মাটিতে বাঁচতে হলে এদেশের বাতাসে শ্বাস নিতে হলে এদেশের স্বাধীনতা স্বার্বোভোমত্বকে মেনে নিয়েই বাঁচতে হবে।অন্যথায় এদেশের স্বাধীনতা প্রেমি জনগণ তাদের স্বাধীন মতামতের মাধ্যমে আরেকবার তোমাদেরকে উচিত জবাব দিয়ে পূনরায় আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করবে।মনে রেখ পরাজিত বাহিনী ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বরেই তোমাদের পরাজয়ের সূচনা হয়েছিল তোমাদের এই পরাজয়ের ইতিহাস বাংলাদেশ যতদিন আছে ততোদিন মানুষের হৃদয়ে গাঁথা থাকবে।১৪৭৫৭০ বর্গমাইলের স্বাধীন ভূখণ্ড যতদিন থাকবে পৃথিবীর মানচিত্রে ততোদিন এদেশের মানুষ তোমাদের এই বিশ্বাস ঘাতকতার জন্য ঘৃণার সাথেই স্বরন করবে।তোমরা যতই ষড়যন্ত্র করো তোমাদের জন্য মানুষের অন্তরে ততই ঘৃণা বাড়বে। প্রতিবছর ১৬ই ডিসেম্বর আসবে মানুষ বিজয় দিবস পালন করবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে ততোদিন বিজয় দিবসের ইতিহাস এদেশের মানুষের অন্তরে গাঁথা থাকবে। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিন্দাবাদ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান অমর হোকবেগম খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ। আগামীর রাষ্ট্র নায়ক তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান জিন্দাবাদ।
আপনার মতামত লিখুন :