প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর, ২০২৩
সর্বশেষ আপডেট : ২৮ নভেম্বর, ২০২৩

সোনাপুর জিরো পয়েন্টে গাড়িপার্কিং অব্যবস্থাপনা

আলা-উদ্দীন সুজন, উপজেলা প্রতিনিধি, সদর : জেলার বাস, সিএনজি ও অটোরিকশার স্ট্যান্ডের জন্যে আধুনিক টার্মিনাল নির্মানের বয়স দুই বছরের বেশি। টার্মিনালটিতে সকল যানবাহনের কাউন্টার নির্মান ও আলাদা সিএনজি ও অটোরিকশা স্ট্যান্ড করা হয়েছে। যাত্রীদের জন্য রয়েছে আধুনিক সুব্যবস্থ।

এতকিছুর পরও বিভিন্ন কারণে ব্যবহার হচ্ছে না, সোনাপুর পরিবহন টার্মিনাল। এই বিষয়ে পরিবহন মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি কোন এক অদৃশ্য শক্তির ভয়ে, কেন ব্যবহার হচ্ছে না তার সঠিক উত্তর দিতে চান না কেউই। এদিকে সোনাপুর জিরো পয়েন্টে সকাল ৮ ঘটিকার পর থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। এই সময় যানজটের ফাঁকে চাঁদাবাজি দেখা যায়, মাঝে মধ্যে ট্রাফিক পুলিশও দেখা যায়, তবে যানজট নিরসন হতে দেখা যায় না।

এতে করে টার্মিনাল থেকে রেল স্টেশন পর্যন্ত টিকিট কাউন্টার, সিএনজি স্ট্যান্ড, অটোরিকশা স্ট্যান্ড, হকার দখল, মালামাল উঠা ও নামানো কারণে যানজট লেগেই থাকে। এর সাথে চাঁদাবাজি চলছে বেপরোয়া হারে। কে নেয় এই চাঁদা, এই চাঁদার টাকা কে পায়, কোথায় যায়, পরিবহন শ্রমিকদের বা মালিকদের কতটুকু উপকারে আসে কারো কাছেই এর সঠিক জবাব নাই।

যেই সকল পরিবহনের কাগজপত্র অসচ্ছ তারা যেমন প্রশাসনকে চাঁদা দিতে হয়, কাগজপত্র ঠিক থাকলেও চাঁদা দিতে হয়। একদিকে চাঁদাবাজি, অন্যদিন যানজন এ যেন আইন বা সংবিধানের কোন তোয়াক্কাই নাই। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে, এর ফলে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে অন্যদিকে সেই রাজস্ব কালোটাকা হয়ে কে বা কারা পাচ্ছে তারও কোন সঠিক হদিস নাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বহু পরিবহন শ্রমিকদের অভিযোগ, যেই সকল ডিপার্টমেন্ট বা সরকারি দপ্তর পরিবহনের কাগজপত্র সচ্ছল করার কথা, তারাই বলেন কোন কাগজের দরকার নাই, আমাদের কে মাসিক চাঁদা দিয়ে গাড়ি চালাও। এই রকম প্রশাসনেরও। এমতাবস্থায় কি করে চলছে বেপরোয়া এই সিস্টেম, কারোই জানা নাই।

আরও পড়ুন