প্রকাশিত: ২৩ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ২৩ জুলাই, ২০২৬

নোয়াখালীতে মানবিক সেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মালদ্বীপ প্রবাসী আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়া

হুমায়ন আকাশ- নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালী জেলার কবিরহাট উপজেলার ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও মালদ্বীপ প্রবাসী আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়া নিভৃত পল্লীতে মানবিক সেবার এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে উঠেছেন। দূর পরবাসে থেকেও নিজ জন্মভূমির অবহেলিত, অসহায় ও দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।পেশাগত প্রয়োজনে দীর্ঘদিন মালদ্বীপে অবস্থান করলেও আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়ার প্রাণ পড়ে থাকে নিজ গ্রাম ধানসিঁড়িতে। সমাজের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোকে তিনি নিজের নৈতিক দায়িত্ব মনে করেন। ডিজিটাল মাধ্যম ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের সহযোগিতায় তিনি নিয়মিত এলাকার খবর রাখেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। দারিদ্র্যপীড়িত পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া, অসুস্থ মানুষের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করা এবং মেধাবী অথচ অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সাহায্য করার মতো বহু সামাজিক ও মানবিক কাজে তিনি ভূমিকা রেখে চলেছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুধু খাদ্য বা চিকিৎসাসেবা নয়, শীতকালে শীতার্তদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ এবং করোনাকাল ও সাম্প্রতিক বানের মতো যেকোনো দুর্যোগ মুহূর্তে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে দাঁড়িয়েছেন।তার মানবিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের এক বাসিন্দা আবেগপ্লুত হয়ে বাংলা টাইমস-ই নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিকে বলেন সেলিম ভাই প্রবাসে থাকলেও মনটা পড়ে থাকে এই গাঁয়ে। এলাকার যেকোনো মানুষ বিপদে পড়লে তিনি নিজের সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। তার মতো মানুষ সমাজে বিরল।এ বিষয়ে মালদ্বীপ প্রবাসী আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান মানুষের সেবা করার মাঝে যে আনন্দ ও তৃপ্তি আছে, তা অন্য কিছুতে নেই। মহান আল্লাহ আমাকে যেটুকু তৌফিক দিয়েছেন, তা নিয়েই জন্মভূমির অসহায় মানুষের মুখে এক চিলতে হাসি ফোটাতে চাই। যতদিন বেঁচে থাকব, ধানসিঁড়ি তথা কবিরহাটের মানুষের পাশে এভাবেই থেকে যেতে চাই।এলাকার সুশীল সমাজ ও তরুণ প্রজন্ম মনে করেন, আবু আহাম্মদ সেলিম মিয়া এই নিঃস্বার্থ মানবিক উদ্যোগ প্রবাসীদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তার এই মানবিক যাত্রা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা কবিরহাটের সর্বস্তরের মানুষের।

আরও পড়ুন

  • সম্পাদকীয় এর আরও খবর