
হুমায়ন আকাশ:
এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে প্রথম গুলি বৃদ্ধ সাবেক ছাত্রদল নেতা মনির হোসেন কাজল
আন্দোলন সংগ্রামে সবসময় জিয়া পরিবারের সাথে ছিলেন-ঢাকার রাজপথ কাঁপানো বলিষ্ঠ ভূমিকা ছিল সাবেক এই ছাত্রনেতার,তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার দীর্ঘ ৪২ বছর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাথে কাটিয়ে দিয়েছেন, দলের প্রতি ভালোবাসা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত সহচর এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের মূল নেতৃত্বকারী নোয়াখালী জেলার কৃতি সন্তান ঢাকা কলেজের সাবেক ভিপি ব্যারিস্টার মনির হোসেন কাজল ।বর্ষিয়ান এই রাজনীতিবিদ বলেন বাংলাদেশের স্বপক্ষের প্রতিটি পরিবার আজ নির্যাতিত এক স্বার্থান্ধ গুপ্ত ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর হাতে।তারা কখনোই চায় না বাংলাদেশের স্বপক্ষের কেউ রাষ্ট্র পরিচালনায় আসুক।কারণ তারা জানে—স্বদেশের শক্তি জেগে উঠলে তাদের মিথ্যা সাম্রাজ্য ভেঙে যাবে।শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং গণতন্ত্রের মা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের স্বপক্ষের দুই সফল রাষ্ট্রনায়ক।তারা এই দেশের মানুষের অধিকার, আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার প্রতীক।আজও দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ তাদের ভালোবাসে, তাদের আদর্শে বিশ্বাস করে।তারেক রহমানের শরীরে সেই রক্ত প্রবাহিত—যে রক্ত স্বদেশের জন্য ত্যাগ ও ন্যায়ের প্রতীক।ব্যারিস্টার মনির হোসেন কাজল বলেন তারেক রহমান মানেই আগামীর বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে—বাংলাদেশের স্বপক্ষের, নির্যাতিত দুই রাষ্ট্রনায়কের উত্তরসূরী কখনোই বাংলাদেশের স্বদেশপন্থী কোটি নির্যাতিত পরিবারের সঙ্গে বেইমানি করতে পারে না। ব্যারিস্টার মনির হোসেন কাজল বলেন ইনশাআল্লাহ তারেক রহমান দেশে ফিরবেন।তার আগমনে বাংলার প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষ— কৃষক ভাই, দিনমজুর ভাই, রিকশাচালক ভাই, আমাদের জেলে ভাইরা —হাতে হাত রেখে দাঁড়াবে স্বদেশের পক্ষে।যারা গভীর সমুদ্রে গিয়ে জীবন বাজি রেখে আমাদের জন্য মাছ ধরে আনে,সেই নৌকার মাঝি ভাইয়েরাও জানে,বাংলার নৌকা আজ আর বিশ্বাসযোগ্য নয়।বাংলার সৎ ব্যবসায়ীরাও এখন বুঝে গেছে—যারা ধর্মের নামে পাল্লা দিয়ে সওয়াব বিক্রি করে,যারা বলে কত কেজি দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে,আর যারা নৌকা ভাড়া দিয়ে বেহেশতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে—তাদের এই দুই গোষ্ঠীর আসল উদ্দেশ্য জনগণ আজ বুঝে গেছে।মানুষ জানে—এই দুই বস্তু “নৌকা” ও “পাল্লা”-এর মালিক ও নিয়ন্তা একমাত্র আল্লাহ।রাষ্ট্র পরিচালনা ও বিচার ব্যবস্থার দায়িত্ব মানুষের হাতে নয়। আল্লাহর ন্যায় ও ইনসাফের নিয়মেই তা টিকে থাকতে পারে।বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু, ন্যায়পরায়ণ এবং সরল—কিন্তু এখন তারা মূর্খ নয়।তারা বুঝে গেছে—বিক্রেতার কাছ থেকে সওয়াব কিনে, নৌকা ভাড়া দিয়ে কেউ বেহেশতে যেতে পারে না।তারা জানে—ন্যায়, ইনসাফ, ও স্বদেশ প্রেমের পথে চলাই সত্যিকার মুক্তির পথ।আজ বাংলাদেশের মানুষ বুঝে গেছে—দেশের অর্থনীতি, ন্যায়বিচার, ও জনগণের শক্তিকে দুর্বল করতে বহুরূপী গুপ্ত ষড়যন্ত্র চলছে বহু বছর ধরে।এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে রয়েছে এমন কিছু শক্তি,যারা দেশের স্বাধীনতা ও ধর্মীয় অনুভূতিকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়।কিন্তু মানুষ এখন সজাগ—তারা জানে, দেশের প্রকৃত মালিক জনগণ,আর আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কেউ এ দেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না।গুপ্ত ষড়যন্ত্রকারীরা সংখ্যায় কম, কিন্তু গলার জোর বেশি।তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব গুপ্ত প্রচারণা জোরালো,কিন্তু হৃদয়ের শক্তি, জনগণের ভালোবাসা তাদের পক্ষে নেই।ইনশাআল্লাহ,যেদিন স্বদেশের শক্তি মাটিতে পা রাখবে,সেদিন মিথ্যার গলার জোর থেমে যাবে,সোশ্যাল মিডিয়ার মিথ্যা তৎপরতা উন্মোচিত হবে,এবং বাংলাদেশের প্রকৃত চেহারা জনগণের সামনে উদ্ভাসিত হবে। বাংলার মাটিতে যারা নির্যাতিত, যারা অন্যায়ের শিকার,যারা শুধু স্বদেশ ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলার কারণে কষ্ট পেয়েছে—তারা আজ এক কণ্ঠে বলছে:আগামীর বাংলাদেশ হবে স্বদেশ শক্তির বাংলাদেশ।”এই সংগ্রাম ন্যায়ের,এই সংগ্রাম ইনসাফের,এই সংগ্রাম শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম।ইনশাআল্লাহ, আগামীর বাংলাদেশ হবে স্বদেশ শক্তির বাংলাদেশ।ন্যায়ের পক্ষে, ইনসাফের পক্ষে, স্বদেশের পক্ষে।
আপনার মতামত লিখুন :