প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর, ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট : ২৩ অক্টোবর, ২০২৫

ঝুঁকিপূর্ণ মরণফাঁদ” চাটখিল-খিলপাড়া সড়ক, দীর্ঘদিনেও হয়নি সংস্কার

হুমায়ন আকাশ  (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের লোকজনের চলাচলের সড়ক ও জনপদের একমাত্র রাস্তা (চাটখিল-খিলপাড়া) সড়কটি মারাত্নক ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিনিয়ত এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে কয়েক হাজার লোকজন। সংস্কারের অভাবে বিপাকে পড়ছে উপজেলার ৮নং নোয়াখলা, ৯নং খিলপাড়া এবং ২নং রামনারায়ণপুর ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এ নিয়ে বিভিন্ন পত্র/পত্রিকায় বারবার প্রতিবেদন উঠে আসলেও সংস্কারের কোন দেখা পায়নি স্থানীয়রা।এই সড়ক দিয়ে ৫ শতাধিক সিএনজিচালিত অটোরিকশা, রিকশা, ভারী ও হালকা যানবাহন চলাচল করে। এ ছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী এবং হাটবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে ১ হাজারের বেশি লোক চলাচল করে। দীর্ঘ ৭ কিলোমিটারের সড়কটি সংস্কার করার দাবী জানিয়ে কয়েকবার মানববন্ধনও করেছে স্থানীয়রা। কিন্তু বিগত ১৭ বছরেরও কোন সংস্কারের দেখে পায়নি এলাকাবাসী। সড়কের মাঝে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়ে পানি জমে থাকায় ঘটছে বড় বড় দূর্ঘটনা।সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক ফিরোজ উদ্দিন বলেন, এই সড়কটি দিয়ে সিএনজি চালাতে গিয়ে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে প্রায় প্রতি মাসে ১০-১২ হাজার টাকা খরচ হয়। অটোরিকশা চালক দেলোয়ার হোসেন দেলু জানান, এতো বড় বড় গর্ত দিয়ে রিকশা চালিয়ে যেতে খুব কষ্ট হয় এবং মারাত্নক জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। দূর্ঘনার শিকার এক ভুক্তোভোগী বলেন, আমি কয়েকবার এই রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় দূর্ঘটনার শিকার হই। এতে আমার হাত ও মাথায় মারাত্নক আগাত প্রাপ্ত হয়।উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, জেলা অফিসে রাস্তাটি বেহাল দশা সম্পর্কে বারবার বলা হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।সাবেক জেলা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী সৌম্য তালুকদার এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, গত কয়েক বছর থেকে রাস্তটি সংস্কারের পদক্ষেপ নেওয়া থাকলেও উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ও সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন কোন অনুমতি ছাড়াই সড়কটির রাস্তার দুই পাশ কেটে পাইভ লাইনের কাজ শুরু করেন। যার ফলে অল্প বৃষ্টিতে রাস্তাটির পাশে থাকা বড় বড় গাছগুলো উপড়ে পড়ে যাওয়ায় আরো বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের জন্য মন্ত্রনালয়ে চিঠি দিয়েছি। এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা বর্তমান সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন জানান, সড়কটি সংস্কারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ শেষ করে মন্ত্রণালয়ে ফাইল পাঠানো হয়েছে এবং ফাইলটি স্বাক্ষরিত হলে আগামী ১/২ সপ্তহের মধ্যে রাস্তাটি সংস্কারের কাজ শুরু করার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন

  • সম্পাদকীয় এর আরও খবর