
উপজেলায় প্রতিনিধি, কবিরহাট : কবিরহাট উপজেলায় বসতবাড়ি সহ দখলীয় সম্পত্তি জোরপূর্বক ভাবে দখলের অভিযোগ করেছেন মীর হোসেন জাবেদ। প্রতিপক্ষ জবর দখল কারিরা হলেন, একই এলাকার এনামুল হক ওরপে এনাম মুহুরি, তার বড় ভাই সিরাজ মিয়া, ছোট ভাই শহীদন উল্যাহ মেজর গং।
ঘটনাটি ঘটেছে ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের উত্তর জগদানন্দ গ্রামে। এ ঘটনায় ভোক্তভুগি মীর হোসেন জাবেদ কবিরহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মীর হোসেন জাবেদ বেগমগঞ্জ উপজেলা হাজিপুর গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ জোরপূর্বক মীর হোসেনের সম্পত্তি দখল করতে যান। খবর পেয়ে তিনি তাদের বাঁধা দেন। এসময় এনাম উদ্দিনসহ তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। একপর্যায়ে ২০/২৫ জন লোক লোহার রড, দা, লাঠি নিয়ে মীর হোসেন জাবেদকে ধাওয়া করে। জীবন বাঁচাতে তিনি বাধ্য হয়ে বাড়ির ভেতরে চলে যান এবং এনাম উদ্দিন, সিরাজ মিয়া, শহীদ উল্যাহ মেজর’সহ তার লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক ভাবে সম্পত্তিত দখল করে।
সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের ২৪৫ নং জগদানন্দ মৌজার খতিয়ান নং ১৬৯ বি.এস খতিয়ান নং ৫০৪/ দাগ নং ৯৪১০/ ৯৪১২-৭৫ডিং, খতিয়ান ৩২০/৯৪০০/৯৪০৬/৯৪০৭ এসব দাগে জোর করে মাটি কেটে নতুন ঘর নির্মাণ করেন এনাম মুহুরি। বি.এস খতিয়ান নং ১২৬৪/ ৯৪০১ এই দাগে পুরানো ঘর ছিল। তিনি চট্টগ্রাম গেলে তারা জোর করে দখল করে নিয়ে যায়। বি.এস খতিয়ান নং ৯০০৫ দাগ ৯৪০৫/ বি.এস খতিয়ান নং ৪৬৪/ দাগ ৯৩৯৭/ বি.এস খতিয়ান নং ৩১৭/দাগ ৬৬৫৮,৬৬৬৩,৬৭০৯,৬৭৫৫/ বি.এস খতিয়ান ৭৯৩,দাগ ৬৫৫৮,৬৬৫৫। মোট ২৩৮ ডিসেমেল সম্পত্তি। কিন্তু ৩৫ সম্পত্তি রেখে বাকী সম্পত্তি প্রতিপক্ষরা তার মোট ২০০ ডিসেমেল সম্পত্তিসহ বাড়িঘর দখল করে নিয়ে গেছে বলে জানান তিনি।
মীর হোসেন জাবেদ আরো জানান, আমি এ বিষয়ে পুলিশ সুপার কাছে এবং কবিরাহাট থানায় অভিযোগ দিয়েছি। কোন ফলাফল পাচ্ছিনা।এদিকে স্থানীয় এলাকার লোকজন সালিশের মাধ্যমে সমাধান করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন । এনাম মুহুরি, তার ভাইরা কেউ সালিশে আসেনি। আমি ছেলে মেয়েকে নিয়ে কষ্টে আছে একজনের ঘরের এক রুমের ভিতর থাকি কিন্তু আমার জায়গা জমি থাকা শর্ত আমি আমার সম্পত্তিতে যেতে পারছি না।
জমি নিয়ে এনাম উদ্দিনের সাথে সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা চলমান নং-৬২৮/১৬ইং। কিন্তুু গায়ের জোর খাটিয়ে এনাম উদ্দিন জোর পূর্বক ভাবে দখল করছে। এই এনাম মুহুরী আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানে সাথে সম্পক ছিলেন। তখন থেকেই এলাকায় একক আধিপত্য বিস্তার করেন। তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই হতে হতো হামলা মামলার স্বীকার। তিনি কোন শালিসি ব্যবস্থা মানে না। উল্টো প্রতিনিয়ত আমাদের বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখায়।
বর্তমানে আমি ঘরবাড়ি ছাড়া স্ত্রী সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টের দিন কাটাচ্ছি। তাই আমি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টাসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একমাত্র মাথা গোজার থাই আমার বাড়িঘর সহ সম্পত্তি পুনরুদ্ধারে দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে এনাম মুহুরীকে অনেকবার ফোন করলো তিনি ফোন রিসিভ করেননি এই জন্য উনার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
আপনার মতামত লিখুন :