প্রকাশিত: ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সোনাইমুড়ীতে ফের ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতা, ফের দুর্ভোগে মানুষ

oplus_0
মোহাম্মদ হানিফ, সোনাইমুড়ী : টানা এক মাসের বন্যার পর ভারী বর্ষণে আবারো  দীর্ঘ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে. বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি নিম্ন চাপে পরিণত হওয়ায়. ভারী বর্ষণে বেশিরভাগ শাখা সড়ক, দোকানপাঠ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাঠঘাট ও মানুষের বাড়িঘরে পানি ওঠে গেছে।
গত এক মাসের বেশি সময় ধরে নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলার  পানিবন্দি  লাখ মানুষ। তার ওপর গত  রাত থেকে ফের শুরু হয়েছে বৃষ্টি। যার ফলে  আবারও স্থায়ী হতে  চলেছে  জলাবদ্ধতা। এতে জানমাল নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।
জানা যায়, পুরো আগস্ট মাস জুড়ে জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে উপজেলার লাখ মানুষ। যাদের মধ্যে প্রায়  লাখ মানুষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের বহুতল ভবনে আশ্রয় নিয়েছিল। অনেকের আধাপাকা ও কাচা ঘর বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ঘরে পানি থাকায় রান্নার চুলা ডুবে যায়। কেউ কেউ ২০ দিনের বেশি রান্নাও করতে পারেনি।
এতে অনাহারে-অর্ধাহারে একটি মাস কাটিয়েছে উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ। বিশেষ করে নোয়াখালী সোনাইমুড়ি,  উপজেলার মানুষ বেশি দুর্ভোগে ছিল। সরকারি উদ্যোগে ত্রাণ তেমন একটা জোটেনি মানুষের ভাগ্যে। তবে ব্যক্তি, বেসরকারি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে নানাভাবে ত্রাণ সহায়তা পাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ছিল মানুষের মধ্যে। সর্বশেষ আগস্ট মাসের শেষের সপ্তাহ থেকে চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত বৃষ্টি না হওয়ায় পানি ধীরগতীতে হলেও কিছুটা কমতে শুরু করে। এতে অনেকে নিজ বাড়ি-ঘরে ফিরে গেলেও এখনও ঘুছিয়ে উঠতে পারেনি।
সূত্র জানায়, এর মধ্যে গত শুক্রবার রাতভর ও শনিবার সকাল থেকে ফের বৃষ্টি শুরু হয়। এতে যেটুকু পানি কমেছে তা আবার বেড়ে গেছে। ফলে জলাবদ্ধতা আবারও স্থায়ী হতে শুরু করেছে। এখনও বাড়ি-ঘর ধসে পড়াসহ খাদ্য সংকটের আশঙ্কা আরও বেড়ে গেছে।
  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিস  ফাতেমা বলেন.  পুনরায় পানি বাড়লে আগের মতো সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত করা হবে। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে উঠার প্রয়োজন মনে করবে তাদেরকে পার্শ্ববর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নেয়ারও অনুরোধ জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন