
হুমায়ন আকাশ নোয়াখালী (চাটখিল) প্রতিনিধি।
তৃণমূল রাজনীতির কান্ডারি, তরুণদের আস্থার প্রতীক এবং ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা উদীয়মান জননেতা আহসানুল হক মাসুদকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো দেখছেন নোয়াখালীর চাটখিল পৌরবাসী। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চাটখিল পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে তৃণমূল বিএনপি ও স্থানীয় সাধারণ জনগণের ব্যাপক সমর্থনে তিনি এখন আলোচনার শীর্ষে।
দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ও সুসংগঠিত নেতৃত্বের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বিশ্বস্ততা অর্জন করেছেন আহসানুল হক মাসুদ। রাজপথের একজন লড়াকু ছাত্রনেতা হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও, অদম্য ইচ্ছা শক্তি আর জনসেবার ব্রত তাঁকে আজ জনগণের কাছাকাছি এনে দিয়েছে। তৃণমূল বিএনপির প্রাণ শক্তি হিসেবে দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে তিনি যেমন এক সুতোয় বেঁধেছেন, তেমনি চাটখিলের যেকোনো দূর্যোগে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন নিঃস্বার্থভাবে।চাটখিল পৌরসভাকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও তরুণ বান্ধব ডিজিটাল নগরী হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন প্রকাশ করে আহসানুল হক মাসুদ বলেন, আমি ক্ষমতার জন্য নয়, চাটখিল পৌরসভার সাধারণ মানুষের অধিকার ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে মাঠের রাজনীতিতে আছি। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির শিক্ষাই আমাকে শিখিয়েছে মানুষের পাশে কীভাবে থাকতে হয়। অবহেলিত এই পৌরসভাকে মাদকমুক্ত, সুশাসিত ও বাসযোগ্য মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। চাটখিল পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে জানা যায়, সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে তরুণ সমাজ—সবাই পরিবর্তন চান। আর সেই পরিবর্তনের কাণ্ডারি হিসেবে আহসানুল হক মাসুদকেই যোগ্য বলে মনে করছেন তারা। স্থানীয় বয়োজ্যেষ্ঠদের মতে, সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে যাকে সবসময় পাশে পাওয়া যায়, সেই তরুণ ও উদ্যমী প্রার্থীই এখন চাটখিলের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য উপযুক্ত।
আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে আহসানুল হক মাসুদের প্রার্থী হওয়ার এই ঘোষণা চাটখিল পৌরসভার রাজনৈতিক সমীকরণে এক নতুন আমেজ সৃষ্টি করেছে। তৃণমূল বিএনপি ও সর্বস্তরের জনগণ এখন প্রহর গুনছেন তাঁর হাত ধরে চাটখিলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও অগ্রগতির নতুন অধ্যায় সূচিত হওয়ার। আহসানুল হক চাটখিল মাহবুব সরকারী ডিগ্রি কলেজের ভিপি ভোট করেন। তারপর চাটখিল উপজেলা শাখায় ১৯৯৫ সালে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পদক নির্বাচিত হন।
তারপর চাটখিল উপজেলা শাখা ১৯৯৮ সালে ছাত্রদলের আহবায়ক মনোনীত হন।তারপর চাটখিল উপজেলা শাখা ২০১০ সালে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তারপর চাটখিল পৌরসভা ২০১৮ সালে বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক মনোনীত করেন। তারপর চাটখিল পৌরসভা ২০২১ সালে বিএনপি’র সদস্য সচিব মনোনীত করেন।বর্তমানে তিনি পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন।চাটখিল পৌরসভার মেয়রপদে পূর্বে দুই বার দলীয় মনোনয়নের জন্য প্রার্থী ছিলেন।বর্তমানে আহসানুল হক মাসুদ চাটখিল পৌরসভা মেয়র নির্বাচন ২০২৬/২৭ সালে দলীয় মনোনয় প্রত্যাশী।তিনি ফ্যাসিবাদ সরকারের আমলে কয়েকবার কারাবরণ করেন।বিগত ১৯৯৬,৯৭,৯৮ সালে জরুরী আইন/জন নিরাপত্তা আইনে ০৩টি মামলা হইতে খালাশ পান।এরপর ২০১৭ সালে বেগম খালেদা জিয়া কারাবরনের এক সাপ্তাহ আগে চাটখিল থানার মামলায় দীর্ঘদিন কারা ভোগ করেন। তারপর ২০১৮ সালে চাটখিল থানার মামলায় কারা ভোগ করেন।তারপর ২০১৯ সালে চাটখিল থানার মামলায় দীর্ঘদিন কারা ভোগ করেন, তখন তার জেলে যাওয়ার খবর শুনে তার স্টোক করে বাবা মৃত্যুবরন করেন।তারপর ২০০৮ সালে চাটখিল থানার মামলায় জামিনে মুক্তি পান। বিগত ২০২৪ সালে চাটখিল থানার কয়েকটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পান।পৌরসভা বিএনপি’র বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আহসানুল হক মাসুদ বিগত জাতীয় নির্বাচন সহ সকল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী প্রার্থীর একান্ত সহচর হিসাবে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেছেন ও দলের জাতীয় সকল কর্মসূচীতে রাজ পথের একজন সক্রীয় কর্মী হিসাবে ছিলাম। যাহার কারনে আমি বিভিন্ন মামলা ও হামলার স্বীকার হই। আমি দল মত নির্বিশেষে সকলের প্রতি আমার শ্রদ্ধাবোধ ছিল সবসময়। আসানুল হক মাসুদ বাংলা টাইমস-ই কে বলেন আমি আগামী চাটখিল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়রপদে অংশগ্রহন করতে চাই। আল্লাহ পাক আমার এই ইচ্ছাকে কবুল করবেন আশাকরি। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় ৪১,০০০ (একচল্লিশ হাজার) মানুষ বসবাস করেন এবং ৩১,০০০ (একত্রিশ হাজার) ভোটার রয়েছেন। তাই আমি চাটখিল পৌরসভার ভোটার, সাংবাদিক, শিক্ষক, সুশিল সমাজ, সর্বস্থরের জনগনের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি।
আপনার মতামত লিখুন :