
উপজেলা প্রতিনিধি, সদর: সাম্প্রতিক জেলায় ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, সেসব কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার কার্যালয়ের মানবিক উপদেষ্টা ও প্রথম সচিব মি: নিকোলাস ম্যাকলিন। সোমবার (১১ নভেম্বর) সকালে জেলার চাটখিল এবং বিকালে সোনাইমুড়ি উপজেলায় ব্র্যাক সম্পাদিত এসব কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।
এসময় অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার কার্যালয়ের উপ-মানবিক উপদেষ্টা ও তৃতীয় সচিব মিসেস হামাহ হোসেন, ব্র্যাক উন্নয়ন সহযোগিতা কর্মসূচির সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শাহরিয়ার ইসলাম, রিসোর্স মোবিলাইজেশন
অ্যান্ড পার্টনারশিপ কর্মসূচির সিনিয়র ম্যানেজার সুরানা তৌহিদ, রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের প্রোগ্রাম হেড মো. খালেদ মোরশেদ, ব্র্যাক জেলা সমন্বয়ক মো: নুরুজ্জামানসহ ব্র্যাকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্র্তাগন উপস্থিত ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার কার্যালয়ের মানবিক উপদেষ্টা ও প্রথম সচিব মি:
নিকোলাস ম্যাকলিন এবং উপ-মানবিক উপদেষ্টা ও তৃতীয় সচিব মিসেস হামাহ হোসেন বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। এসময় তাঁরা বন্যার্তদের কাছে জানতে চেয়েছেন, কিভাবে তারা এই আকস্মিক বন্যা মোকাবেলা করেছেন? বন্যার সময় তাদের সমস্যাগুলো
কেমন ছিল? এসময় কোন কোন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে? আগামীতে এই ধরনের বন্যা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে কিভাবে তারা তা মোকাবেলা করবেন? তখন তাদের কি ধরনের সহযোগিতা
প্রয়োজন হতে পারে। অস্ট্রেলিয়ান দুই কর্মকর্তার প্রশ্নের জবাবে বন্যার্ত মানুষজন ভয়াবহ বন্যার যে ক্ষত তা বর্ণনা করেন এবং বন্যার সময় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের মানবিক কর্মসূচির প্রশংসা করে আগামীতে যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ব্যাপক ক্ষতিরোধে পূর্ব প্রস্তুতি নেয়ার দাবি জানান।ব্র্যাক জেলা সমন্বয়ক মো: নুরুজ্জামান বলেন, সাম্প্রতিক জেলায় ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ব্র্যাকের পক্ষ
থেকে শুকনো ও রান্না করা খাবার সরবরাহ, পানি বিশুদ্ধকরণ কার্যক্রম, মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদান, গবাবি পশুর খাদ্য সরবরাহ, বন্যা পরবর্তী বিশুদ্ধ
পানির জন্য টিউবওয়েল ওয়াশ, স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট নির্মাণ ও সংস্কার, ঘর নির্মাণ ও সংস্কারে নগদ অর্থ সহায়তা, কৃষি বীজ প্রদানসহ নানামূখী কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্র্যাকের এই মানবিক
কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ব্র্যাকের এই কর্মকর্তা।
আপনার মতামত লিখুন :