প্রকাশিত: ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

নবীনবরণে বক্তব্য দেয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপে মারামারি, আহত ৭

উপজেলা প্রতিনিধি, সদর : নোয়াখালীর মেডিকেল অ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুলে (ম্যাটস) নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে আবাসিক শিক্ষার্থীদের দুই গ্রুপে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ফজলুল হকের ছেলে মো. রাহাদ (২০), হাতিয়া উপজেলার চর কৈলাশ গ্রামের ফজলে আহমেদের ছেলে মো. আলাউদ্দিন (২০), বেগমগঞ্জ উপজেলার গোলাম মোস্তফার ছেলে মেহরাজ (১৯), ছোট রামদেব গ্রামের নাজিম উদ্দিনের ছেলে ইয়াছিন আরাফাত (১৯), গনিপুর গ্রামের আবু আব্দুল্লাহর ছেলে মামুন (২০), ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার আবুল কালামের ছেলে রাফি (১৯) ও জামালপুর জেলার মো. উজ্জ্বল রহমানের ছেলে মো. শিমুল আহমেদ (২২)।

জানা যায়, মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) নোয়াখালীর আবাসিক শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে মনমালিন্য হয়ে আসছিলো। গতকাল রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়। এতে নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদ উল্যাহ খান সোহেল, বিভিন্নজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষের প্রায় তিন ঘন্টা পর নবীন বরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে ২য় ও ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীদের মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে ২য় ও ৩য় বর্ষের ৭ জন শিক্ষার্থী আহত হয়। আহত শিক্ষার্থীদের নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিমুল আহমেদকে হাসপাতালের ১ নং ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয় এবং অপর ৬ জন শিক্ষার্থী প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন।

বিষয়টি অস্বীকার করে ম্যাটসের ছাত্রলীগ নেতা সাজেদুল ইসলাম সৌরভ বলেন, নবীনবরণ ঘিরে কোনো মারামারির ঘটনা ঘটেনি। তবে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মনমালিন্য ছিল। কিন্তু গতকালের মতো মারামারির পর্যায়ে যায়নি। আমরা সুন্দরভাবে নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষ করেছি। কিন্তু বিকেলে কি হলো তা আমার জানা নাই।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জায়েদুল হক রনি বলেন, ছাত্রদের দুই গ্রুপের মারামারির ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। ক্যাম্পাসে যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য পুলিশ সজাগ দৃষ্টি রাখছে।

আরও পড়ুন