প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

জেলায় বানভাসিদের পানি বিশুদ্ধকরণ মেশিন স্থাপন

উপজেলা প্রতিনিধি, সদর : জেলাতে ভয়াবহ বন্যায় এখনো লাখ লাখ মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। বন্যায় শৌচাগার, ড্রেন, পুকুর ও খাল-বিলের পানি এক সঙ্গে মিশে একাকার হয়ে গেছে। যার কারণে জেলায় ডায়রিয়া’সহ পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে, দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট।

জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চারটি প্ল্যান্ট থেকে সব উপজেলায় বিশুদ্ধ পানিসহ ২০ লাখ পানি বিশুদ্ধিকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বেগমগঞ্জে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

তবে জেলার বেশিরভাগ বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দেওয়া বিশুদ্ধ পানি কিংবা পানি বিশুদ্ধিকরণ ট্যাবলেট পাননি বলে অভিযোগ করেন। একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ বলেন, বন্যার এই দুর্যোগের সময় জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর রুমে বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটের জন্য গেলে তিনি সহযোগিতা না করে রুম থেকে বের করে দেন।

সদর উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির যোগান দিতে জার্মান ভিত্তিক সংস্থা এ.এস.বি’র অর্থায়নে বাংলাদেশী সংস্থা সি.ডি.ডি এবং জেলার স্থানীয় সংস্থা ‘এন-রাশ’ এর সহযোগিতায় বন্যার্ত এলাকায় পানি বিশুদ্ধকরণের ৪টি মেশিন স্থাপন করা হচ্ছে।

বুধবার সকালে জেলা সদরের এওজবালিয়া ইউনিয়নের বেদে পল্লীতে একটি পানি বিশুদ্ধকরণ মেশিন স্থাপন করা হয়।

এসময় জার্মান ভিত্তিক সংস্থা এ.এস.বি’র কর্মকর্তা এক্সেল, সি.ডি.ডি’র কর্মকর্তা মো. ময়নুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম এবং ‘এন-রাশ’ এর পরিচালক মো. একরাম হোসেন হৃদয় প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন