প্রকাশিত: ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সোনাইমুড়ীতে বন্যা, পানি কমার সাথে বাড়ছে দুর্ভোগ ও নানা রোগ

মোহাম্মদ হানিফ, সোনাইমুড়ী : ভয়াবহ বন্যায় মানুষের ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশুর খামার এবং কৃষি জমি ও মৎস্য ঘের প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়েছে।

পানি নেমে যাবার সাথেই স্পষ্ট হচ্ছে ক্ষত চিহ্ন, দৃশ্যমান হচ্ছে বন্যার তান্ডবে ক্ষয়ক্ষতি। বাড়ছে দুর্ভোগ,বাড়ছে রোগ -বালাই।  বৃষ্টি না হলেও এখনো নোয়াখালী সোনাইমুড়ী উপজেলায় লাখ মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। বন্যার পানি কমতে থাকার সাথে বাড়তে শুরু করেছে ডায়রিয়া,আমাশয় পেটের পীড়া সহ পানিবাহিত নানা রোগ।

বাজরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান বলেন    বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে থাকায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে পানিবন্দি থাকায় বিভিন্ন স্থানে বাড়ছে নানা সংকট। বিশেষ করে টিউবওয়েলগুলো ডুবে যাওয়ায় বন্যাকবলিত এলাকায় সুপেয় পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া বন্যায় চর্মরোগ ও ডায়রিয়াসহ নানা পানিবাহিত রোগ বেড়ে গেছে

দেওটি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান দিদার হোসেন বলেন , গত সাত দিন  কোন বৃষ্টিপাত হয়নি। পানি দ্রুত নামার জন্য  বিভিন্ন জায়গায় খালের বাঁধ ও সড়কের অংশ কেটে দেয়া হয়েছে।দ্রুতই পানি নেমে যাচ্ছে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে   সকল সড়ক থেকে পানি নেমে যাবে।

সোনাইমুড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের  ডাক্তার রিয়াদ  বলেন, শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত হাসপাতালে ৫০ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে। এরমধ্যে বেশির ভাগ রোগীই শিশু। তবে  সাপে কাটা রোগীর সংখ্যা কমলেও আতংক আছে বন্যার্ত মানুষের মাঝে।

সোনাইমুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা বলেন বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষের খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ঔষধের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি ত্রাণ সুবিধার বাহিরে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন প্রচুর ত্রাণবাহী গাড়ি ঢুকতে দেখা যাচ্ছে। তবে এখনো দুর্গম অনেক এলাকায় ঠিকমতো ত্রাণ পৌঁছাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন বাসিন্দারা। ত্রাণ পেতে হাহাকার করছে এখানকার দূর্গম এলাকার বন্যার্তরা।

আরও পড়ুন