প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সোনাইমুড়ীতে বন্যায় বিপর্যস্ত সড়ক যোগাযোগ

মোহাম্মদ হানিফ, সোনাইমুড়ী : স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ভেসে উঠেছে বেহাল সড়ক। এক-একটি ইউনিয়নের গ্রামীণ জনপদ ভেঙে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছে। এতে যানচলাচল করতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন গ্রামবাসী ও স্থানীয়রা।

ভারতের আকস্মিক ছেড়ে দেওয়া পানিতে তলিয়ে যায় সেই পানিতে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলায় ১ লক্ষ মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছিল।বর্তমানে পানি আস্তে আস্তে সরতে বেরিয়ে আসছে গ্রামীণ রাস্তাঘাট ধ্বংসের ভয়াবহ দৃশ্য। স্থানীয় মানুষেরা দাবি করছেন বন্যার এরূপ ক্ষয়ক্ষতির দৃশ্য এর আগে তারা কখনো দেখেনি।

উপজেলা আমিশা পাড়া ইউনিয়নের নাওরি গ্রামের নজরুল ইসলাম বলেন . এখনো বেশকিছু এলাকায় পানি না নামায় ক্ষয়ক্ষতির বলে শেষ করা যাবেনা ।

ঘরে কোনো পুরুষ লোক নেই। বাজার-সদাই করে ভাঙা রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলাচল করতে হচ্ছে। দ্রুত রাস্তা সংস্কার করা প্রয়োজন।”প্রতিটা বাড়িঘর পানির নিচে।আপনি দেখেন সড়কের পাশে থাকা দোকানপাট ও বাড়িঘর ভেঙে যোগাযোগ পুরোপুরি ব্যাহত হয়েছে। যানচলাচল ব্যাহত হওয়ায় বেশি দুর্ভোগে পড়েছে শিশু, নারী ও বৃদ্ধরা।

একই ইউনিয়নের দুয়ারীপাড়া ইউপি সদস্য গোলজার আহমেদ বলেন . বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর বেহাল সড়কের চিত্র বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। প্রতিটি ইউনিয়নের গ্রামীণ জনপদ পাকা সড়ক ভেঙে গেছে। যেখানে সড়ক ভাঙেনি সেখানে পিচ উঠে ক্ষত-বিক্ষত হয়ে গেছে। এই বন্যায় ইউনিয়নের সবকটি সড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি নেমে যাওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহতা বোঝা যাচ্ছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে খানাখন্দ। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

আমিশাপড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন চৌধুরী বলেন . দৈনন্দিন কাজের জন্য এখানকার কেউ আমিশাপাড়া বাজারেও যেতে পারছে না। হেঁটেও চলাচল খুব কষ্টকর। অতি দ্রুত সড়কটি মেরামত না করলে এখানকার মানুষের কষ্টের সীমা থাকবে না।

সোনাইমুড়ী উপজেলায় এলজিইডি ইমদাদুল হক বলেন . শতাধিক সড়কের আনুমানিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই শতাধিক সড়ককে দ্রুত মেরামত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদেরকে লিখিতভাবে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এই শতাধিক সড়ককে দ্রুত মেরামত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন