
মোহাম্মদ হানিফ, সোনাইমুড়ী ; সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগপত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। এই সুযোগে ফাঁদ তৈরী করছে একটি প্রতারক চক্র। স্থগিতাদেশ এর বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম পরিচালনার নামে সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে মোটা অংকের টাকা। কখনো আদালতের শুনানিতে বেসরকারী আইনজীবী নিয়োগ, কখনো সংবাদ সম্মেলনসহ নানা অযুহাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা।
জানা যায়, ৩১ অক্টোবর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের (তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া) চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৬ হাজার ৫৩১ জন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশ করা হয়। ওই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা অনুসরণের অভিযোগ তুলে ফলাফল প্রকাশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নিয়োগ বঞ্চিতদের মধ্য থেকে ৩০ জন আদালতে রিট করেন। পরে এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানিতে সাড়ে ৬ হাজার শিক্ষককে নিয়োগপত্র প্রদানের কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ প্রদান করা হয়। গত বছরের ১৯ নভেম্বর বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি মাহমুদুর রাজীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আর এই আদেশকে কেন্দ্র করে নিয়োগ স্থগিত শিক্ষকদের কাছ থেকেই টাকা হাতাচ্ছে চক্রটি। অনুসন্ধানে জানা যায়, ফলাফল প্রকাশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট করেছেন ইয়াসিন আরাফাতসহ নিয়োগবঞ্চিত ৩০ জন। রিটের বিবাদী রয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এক্ষেত্রে আইনী লড়াই লড়ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সরকারি কর্ম কমিশনের আইন কর্মকর্তারা। এ অবস্থায় কিছু অসাধু ফাঁদ তৈরী করে কৌশলে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ-লাখ টাকা। এই ফাঁদে পা দিয়েছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশ প্রাপ্ত হাজার হাজার শিক্ষকেরা। তথ্য বলছে, ‘৩য় ধাপে সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষকমণ্ডলী-২০২৪’, ‘ঢাকা ও চট্টগ্রাম সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষিকাগণ(৩য় ধাপ)’, ‘ফান্ডিং গ্রুপ’, ‘আয়না ঘর’, ‘সিক্রেট গ্রুপ’ সহ বেশ কয়েকটি হটসআপ-মেসেন্জার গ্রুপ খুলেছে চক্রটি। এছাড়া প্রতিটি জেলা থেকে সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষক ও নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকদের নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন গ্রুপ খোলা হয়েছে অনলাইনে। এসকল গ্রুপে সদস্য হিসেবে যুক্ত রয়েছেন হাজার-হাজার সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
‘৩য় ধাপে সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষকমণ্ডলী-২০২৪’ নামের হটসআপ গ্রুপে রয়েছেন ৪৮৫ জন সদস্য। ‘ঢাকা ও চট্টগ্রাম সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষিকগণ(৩য় ধাপ)’ হটসআপ গ্রুপে রয়েছেন ৩৮০ ও ‘ফান্ডিং গ্রুপ’ নামের হটসআপ গ্রুপে রয়েছে ১ হাজার সাতজন সদস্য। বিকাশ, রকেট ও নগদ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে টাকা আদাই করা হয়। মাথাপিছু প্রতি সদস্যদের থেকে ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আদাই করা হচ্ছে। যেভাবে টাকা হাতানো হয়: ‘নোয়াখালী সিক্রেট গ্রুপ’, ‘রিকমান্ডেড ৫০ জন’, ‘আয়না ঘর’ সহ ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের ২১টি জেলার আলাদা-আলাদা নামে হটসআপ গ্রুপ রয়েছে। সেসকল গ্রুপের মধ্যে ১৮ থেকে ২২ সদস্যের একটি চক্র অন্যান্য সদস্যদের থেকে বিভিন্ন অযুহাতে টাকা উত্তোলণ করছে। যাদেরকে সাধারণ সদস্যরা সমন্বয়ক হিসেবে জানেন।
সমন্বয়কদের মধ্যে লাবন্য, নওরীন, জেরিন, সোনিয়া, ফারজানা, লায়লা আক্তার পুতুল, মিতু আক্তার, মুহিব, পিয়াস, কামাল, মাহমুদ, আজিম, কাজল রায়, এম.এ রানা, এম আর রাসেল, ফারহান, তুষার, ফারহান, তানভীর, ধীমান দাস, জিহাদ, নাহিদ শিকদার এর নাম পাওয়া গিয়েছে। প্রতিটি হটসআপ গ্রুপেই এসকল সমন্বয়কেরা রয়েছেন। তারা অন্যান্য সদস্যদের থেকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে আইনী খরচের নামে টাকা তুলছেন। চক্রটি ‘ফান্ডিং গ্রুপ’ নামে ৫০ সদস্যের আলাদা আলাদা গ্রুপ খোলে। এই গ্রুপের সদস্যদের বোঝানো হয় যে তারা সমন্বয়কদের বিশ্বস্ত। এজন্যই তাদের নিয়ে আলাদা বাছাইকৃত গ্রুপ খোলা হয়েছে। আবার ওই ৫০ জনের মধ্য থেকে ২৫ জনকে নিয়ে আলাদা একটা গ্রুপ খোলা হয়। যাদেরকে রাখা হয় শুধুমাত্র ফান্ডিং এর জন্য। এদেরকে দিয়ে টাকা তোলা হয়। ২৫ জনের মধ্য থেকে ১০ জনকে নিয়ে আলাদা আরেকটা গ্রুপ খোলা হয় যেটার নাম ‘আয়না ঘর’। এই সদস্যদের দিয়ে বিভিন্ন গ্রুপের মধ্যে অন্যান্য সদস্যদের মাঝে প্রপাগান্ডা চালানো হয়।
যেসব নাম্বার থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে: সমন্বয়ক প্যানেলের নামে ৪টি মোবাইল নাম্বার থেকে উত্তোলন করা হয় টাকা। আদালতের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে আইনী কার্যক্রম পরিচালনায় সরকারী অধিদপ্তরকে সহায়তা করতে এই টাকা উত্তোলণ করা হচ্ছে বলে গ্রুপ গুলোতে চাঁদা চাওয়া হয়। এমনকি টাকা পাঠানোর জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা সহ ফটোকার্ড পাঠানো হয়। সেখানে পিয়াস: ০১৭৬৪-৩০১৭৫২ (বিকাশ, নগদ, রকেট), মহিব: ০১৩০০-৭৯২৪৪৯ (বিকাশ), এম আর রাসেল: ০১৮১৪-৭১১৫৯০ (বিকাশ, নগদ) ও সোনিয়া: ০১৭৮৯-১২৯৪০০ (নগদ) এই নাম্বারে টাকা পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া টাকা পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে দুই সমন্বয়ক এম.এ রানার ০১৯১১-৪২০৩০ ও ফারহানের ০১৬৪৪-৬০৬০২৩ এই নাম্বারের হটসআপ একাউন্টে সেন্ড মানির স্ক্রীনসর্ট পাঠাতে বলা হয়। সুপারিশপ্রাপ্ত মহিলা পরিক্ষার্থী নোয়াখালী
সেনবাগের বাসিন্দা উম্মে কুলসুম জানান, তিনি নিজেও দুই দফায় টাকা দিয়েছেন। সমন্বয়কের নামে একটি চক্র ৬ মাস থেকে টাকা উত্তোলণ করছে। চাঁদার এমাউন্ড তারা ফিক্সট করেনা। তিনি চক্রের ৩-৪টি হটসআপ গ্রুপে যুক্ত ছিলেন। কামাল, পিয়াস, নাছির, মুহিদ সহ বেশ কয়েকজন এই চক্র পরিচালনা করে। এখন পর্যন্ত আদালতের ৫টি শুনানি ও একটি সংবাদ সম্মেলন দেখিয়ে দফায় দফায় প্রায় ৪০ লাখ টাকা হাতিয়েছে চক্রটি। তিনি আরো জানান, চক্রটি বলে তারা আইনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে বেসরকারী উকিল ধরেছে, উকিলদের টাকা দিতে হবে। সংবাদ সম্মেলন করতে হবে, সাংবাদিকদের টাকা দিতে হবে। এই ধরনের কথার বলে তারা টাকা তোলে। তবে টাকা তুললেও গ্রুপে সেই টাকার খরচের হিসেব দেয়না। যারাই প্রশ্ন করে তাদেরকে গ্রুপ থেকে রিমুভ করে দেওয়া হয়। সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের তৃতীয় ধাপে যোগদানের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে গত ৬ জানুয়ারী সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই
সংবাদ সম্মেলনকে সামনে রেখে নানা খরচের অযুহাতে প্রায় ৩ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে চক্রটি। তবে এসব টাকার খরচের কোন হিসেব গ্রুপের সাধারণ সদস্যদের কাছে উপস্থাপন করা হয়নি। বাসিন্দা হাসান মাহামুদ জানান, তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। আদালতে নিয়োগ স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়ে বিভিন্ন গ্রুপ খোলা হয়েছে। অনেকে আইনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গ্রুপের সদস্যদের থেকে টাকা নিচ্ছে। তিনি নিজে টাকা না দিলেও অনেকেই টাকা দিচ্ছেন। চক্রের গ্রুপে টাকা পাঠানোর জন্য যে সকল বিকাশ, নগদ ও রকেট নাম্বার দেওয়া হয়েছে তাদের একাউন্টের মানিট্রানজেকশনের তথ্য দেখলেই
সবকিছুর প্রমান হয়ে যাবে। শরিয়তপুর থেকে মোছাম্মদ সালমা (ছদ্মনাম) জানান, প্রতারক চক্রটি তাকে এডিট পার্টি হিসেবে যুক্ত হতে অনুরোধ করেন। তবে তিনি এই চক্রের সাথে যুক্ত হননি। তিনি অভিযোগ করে জানান, মহিব, পিয়াস, সোনিয়া সহ কয়েকজন সমন্বয়ক হটসআপ গ্রুপে জানায়, অধিদপ্তরের সাথে কেইস আগানোর জন্য সহযোগী হিসেবে আইনজীবী নিয়োগ দিতে হবে। অধিদপ্তর থেকে এ্যাডেটপার্টি গঠন করতে বলা হয়েছে। বেসরকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহাবুদ্দিন খোকন ও বেসরকারি এ্যাডভোকেট কাজল সাহেবকে হেয়ারিং এর জন্য নিয়োগ দেওয়া হবে। এই অজুহাতে ৫০০ থেকে ৭০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত একেক সদস্য থেকে চাঁদা তোলা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক টাঙ্গাইল থেকে সুপারিশপ্রাপ্ত মহিলা পরিক্ষার্থী জানান, প্রায় ২০ জনের একটি চক্র টাকা তুলছে। তারা ফান্ডিং এর খরচের কোন হিসেব দেয়না। হিসেব চাইলে মামলা ক্লোজ হওয়ার পরে দেওয়া হবে বলে জানায়। সমন্বকরা জানায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আইনজীবী আদালতে কোন ভূমিকা নেয় না।
আদালতে শুনানির জন্য বেসরকারী আইনজীবী হিসেবে ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও রুহুল কবির কাজলকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। গত ৫ ডিসেম্বর মামলা খারিজের কথা বলে গ্রুপের অনেক সদস্যদের থেকে মোটা অংকের টাকা উত্তোলণ করে। অনেকে ৩-৪ হাজার টাকাও দিয়েছে। তিনি নিজেও গত ৫ ডিসেম্বর হেয়ারিং এর জন্য টাকা দিয়েছিলেন এই চক্রটিকে। তিনি আরো জানান, প্রথমে এই চক্রটির ফেসবুক ম্যাসেন্জারে গ্রুপ ছিলো। সেখান থেকে ফান্ডিং করার জন্য হটসআপ গ্রুপ খোলা হয়। ফান্ডের খরচের বিষয়ে যারা প্রশ্ন তোলে তাদেরকে গালিগালাজ করে গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হয়। টাকা-পয়সার হিসেব নিয়ে কথা তুললে চ্যাট অপশন অফ করে রাখা হয়, মেসেজ ডিলেট করে দেওয়া হয়। এছাড়া সমন্বয়কের আলাদা গ্রুপ আছে তাদের সেখানে সাধারণ সদস্যদের যুক্ত করা হয় না।
হটসআপ গ্রুপের মাধ্যমে টাকা উত্তোলণ চক্রের অন্যতম সদস্য গাজীপুরের মাওনা এলাকার ধীমান দাস। প্রতিবেদকের সাথে কথা হলে চক্রের সাথে সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, মামলাতে প্রাইভেট এ্যডভোকেট নিয়োগের জন্য তিনি নিজেও ফান্ডে টাকা দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনের জন্য ঢাকায় গিয়ে চক্রের সদস্য লাবন্যের হাতে ৫০০ টাকা দিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে দুই থেকে চার হাজার টাকা খরচ হয়েছে বলেও জানান তিনি। চক্রের আরেক সদস্য জেরিনের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, “ গ্রুপে ছেলেদের সংখ্যা বেশি আপনি ছেলেদের সাথে কথা বলেন। টাকার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। শুধু ভাইয়ারা যে নির্দেশনা দেয় সেগুলো বাস্তবায়ন করি। যারা টাকা তুলতেছে তাদের ফোন দেন।” প্রতিবেদক প্রতারক চক্রের কয়েকজন সদস্যকে ফোন দিলে চক্রের অন্য সদস্যরা সতর্ক হয়ে যান।
তারা প্রতিবেদকের মোবাইল নাম্বার উল্লেখ করে তাদের সকল হটসআপ গ্রুপে সতর্ক বার্তা প্রেরণ করে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, “এই নাম্বার থেকে আপনাদের কাছে ফোন গেলে রিসিভ করবেন না। আমাদের সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন করলে তিল পরিমান কোন তথ্য দিবেন না।” শিক্ষা অধিদপ্তরের আইনজীবী ব্যারিস্টার মুনতাসির উদ্দীন আহমেদ জানান, তিনি সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োজিত। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ৩য় ধাপে সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগে রিটের বিষয়ে আইনী কার্য পরিচালনার জন্য সরকার তাকে ফিস দিচ্ছেন। তিনি বলেন, কে বা কারা এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে টাকা উত্তোলণ করছেন তিনি জানেন না।
সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষকদের পক্ষ থেকে কোন অর্থনৈতিক সুবিধা নেওয়ার প্রশ্নই ওঠেনা। এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মোঃ আব্দুল হাকিম বলেন, নিয়োগ অধিদপ্তর দিবে তাই অন্য কারো ফান্ডিং এর প্রয়োজন নেই। কোনভাবেই ৬৫৩১ জন কে বাদ দিয়ে নিয়োগ হবে না। প্যানেল আইনজীবী মুনতাসির সহ অন্যান্য আইনজীবীদের উপর সুপারিশপ্রাপ্তদের ভরসা রাখতে বলেছেন। সুপারিশপ্রাপ্তরা যেন কোন ফান্ডিং না করে সে বিষয় সতর্ক থাকতে তিনি সকলকে অনুরোধ করেছেন।
আপনার মতামত লিখুন :