প্রকাশিত: ১৫ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট : ১৫ জুলাই, ২০২৬

কচুয়া সহেদেবপুর ইউনিয়ন: চেয়ারম্যানপদে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে সাবেক ছাত্রনেতা হেলাল সরকার

হুমায়ন আকাশ বাংলা টাইমস-ই

আসন্ন ৫ নং সহেদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চাঁদপুর কচুয়া উপজেলার সহেদেবপুর ইউনিয়নে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন একটিই নাম— তরুণ সমাজসেবক ও বিএনপি নেতা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সরকার। এলাকায় সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে ইতিমধ্যে তিনি সাধারণ ভোটারদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।স্থানীয় সুধীসমাজ ও সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সরকার দীর্ঘদিন ধরে ৫ নং সহেদেবপুর ইউনিয়নের অবহেলিত মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনাকালীন সংকট থেকে শুরু করে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও সামাজিক সমস্যায় তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দলমত নির্বিশেষে যুবসমাজের একটি বড় অংশ এবং প্রবীণ মুরব্বিরাও এবার পরিবর্তনের স্বার্থে এই তরুণ নেতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। তরুণ নেতৃত্বে পরিবর্তনের হাওয়া এলাকার একাধিক ভোটারের সাথে কথা বললে তারা জানান আমরা এমন একজন প্রতিনিধি চাই যাকে সুখে-দুঃখে ২৪ ঘণ্টা পাশে পাওয়া যায়। মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সরকার এলাকার তরুণদের নিয়ে মাদক, জুয়া ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আমাদের ইউনিয়নের উন্নয়নের ত্বরান্বিত হবে।বর্তমান ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সরকার বক্তব্য নিজের প্রার্থীতা ও জনপ্রিয়তার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সরকার বলেন: আমি পদের লোভে কিংবা ক্ষমতার জন্য নির্বাচনে আসিনি। শৈশব থেকেই মানুষের সেবা করার এক ধরণের তাগিদ অনুভব করি। আমাদের এলাকাটি এখনো অনেক নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। অবহেলিত ও মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি আদর্শ ও বৈষম্যহীন প্রত্যেকটি ওয়ার্ড গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে আমি এগিয়ে যাচ্ছি। আশা করি, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে অবহেলিত সাধারণ মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে তাদের যোগ্য প্রতিনিধি বেছে নেবেন।নির্বাচনি মাঠে জোর প্রস্তুতি রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে, মাঠ পর্যায়ে মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন সরকার শক্তিশালী অবস্থান এবং তরুণ ভোটারদের ব্যাপক সমর্থন তাকে অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে অনেকখানি এগিয়ে রেখেছে। এরই মধ্যে তিনি ওয়ার্ডের সর্বস্তরের মানুষের সাথে নিয়মিত উঠান বৈঠক, গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় করে চলেছেন। সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসাই তাকে আসন্ন নির্বাচনে বিজয়ী করতে মূল ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আরও পড়ুন

  • নির্বাচন এর আরও খবর