প্রকাশিত: ২০ আগস্ট, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৪

আর্থিক সুবিধা নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকে রক্ষায় কাজ করেনি বিএনপি

উপজেলা প্রতিনিধি, সদর : আর্থিক সুবিধা নিয়ে নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী এবং তার ভাগনে কবিরহাট পৌর মেয়র জহিরুল হক রায়হানকে রক্ষা করার অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেছে জেলা বিএনপির নেতারা।

২০ আগস্ট মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রেডক্রিসেন্ট চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বলেন, ‘আমার বাড়ি একরামুলের বাড়ির পাশে এটা ঠিক কিন্তু তিনি আমার আত্মীয় না। আর তাদেরকে রক্ষা করা আমার দায়িত্বও নয়। নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ মারা যাওয়ার পর নেতাকর্মীরা আমাকে নিয়ে চিন্তা করায় একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।’

অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর তার দোসরদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনগত ব্যবস্থা নিবে। এজন্য কয়েকটি সংস্থা কাজ শুরু করেছে। বিএনপি স্বৈচারদের রক্ষায় কোনো ধরনের আঁতাত করার প্রশ্নই আসে না। আমরা যেকোনো বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।’

সংবাদ সম্মেলনে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু নাছের, বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাবু কামাঙ্খা চন্দ্র দাস, বিএনপি নেতা ভিপি জসিম উদ্দিন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান মোহাম্মদ নোমানসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে সোমবার একটি গণমাধ্যমে বিএনপি নেতাদের বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ হয় যে, একরামুল করিম চৌধুরী ও তার ভাগনে রায়হানকে মোটা অংকের টাকা ও কোটি টাকার গাড়ির বিনিময়ে জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দারের যোগসাজশে বাড়িতে থাকার সুযোগসহ রক্ষা করছেন।

আরও পড়ুন