প্রকাশিত: ১৫ আগস্ট, ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২৪

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত সোনাইমুড়ী থানায় প্রতিদান ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ

মোহাম্মদ হানিফ, সোনাইমুড়ী : বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে ধ্বংসস্তুপে পরিনত হওয়া সোনাইমুড়ী থানা পরিদর্শন করেছেন প্রতিদান ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দরা। বুধবার (১৪ আগষ্ট) দুপুরের খাবার নিয়ে থানার কর্মকর্তাদের সাথে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা মতবিনিময় করেন। এসময় তারা পুলিশের বিভিন্ন কার্যক্রমে পাশে থেকে ক্ষতিগ্রস্ত থানা পুন:নির্মাণে সহায়তার আশ্বাস দেন।

সোনাইমুড়ী থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন ‘প্রতিদান ফাউন্ডেশন’এর এমন কর্মকান্ডকে সাধুবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘আমাদের দুঃসময়ে আপনারা পাশে দাঁড়িয়েছেন এটা মনে থাকবে’।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসিরউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল ধ্বংসপ্রাপ্ত থানা পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি সোনাইমুড়ী থানার কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাৎ করে সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। সেই সাথে পুলিশের যেকোন প্রয়োজনে সংগঠনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির কোষাধ্যক্ষ মোঃ আবু সাইদ সাকিব, নদনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান কুতুবউদ্দিন সানি, সোনাইমুড়ী পৌর কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন, সংগঠনটির সদস্য মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ সোহেল, মোঃ জাকির, মাসুম, রাকিব, মোঃ রাসেল প্রমুখ।

উল্লেখ, গত ৫ আগষ্ট বিকালে দুর্বৃত্তরা সোনাইমুড়ী থানা ভাংচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় থানায় দায়িত্বরত চার পুলিশ সদস্য নিহত হয়। ধ্বংসস্তূপে পরিনত হয় গোটা থানা চত্বর। পুড়ে যাওয়া থানা সংস্কারে নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জে সরকারের পদত্যাগের পর লাপাত্তা চেয়ারম্যান মেম্বাররা: পরিষদের কার্যক্রম ব্যাহত সম্প্রতি সরকারের পদত্যাগের পর সারা দেশের মতো কোম্পানীগঞ্জেও রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা হঠাৎ করে লাপাত্তা হয়ে যাওয়ায় পরিষদের কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারের পতনের পর অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রতিশোধমূলক আক্রমণের আশঙ্কায় অনেক চেয়ারম্যান ও মেম্বার আত্মগোপনে চলে গেছেন। তাদের অনুপস্থিতির কারণে পরিষদের দৈনন্দিন কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। জনগণ পরিষদে এসে তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। পরিষদের কোনো সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে না, এবং উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজও থমকে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তারা পরিষদের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এবং এলাকায় কোনো কার্যকর প্রশাসনিক তৎপরতা নেই। এলাকাবাসীরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে কোম্পানীগঞ্জের স্থানীয় উন্নয়ন ও সেবা খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং পরিষদের কার্যক্রম পুনরায় সচল করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং লাপাত্তা চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের খুঁজে বের করে দায়িত্বে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে, কবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।

আরও পড়ুন